ঢাকাঃ রবিবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
Jago Bangla 24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
No Result
View All Result
Jago Bangla 24
No Result
View All Result

সৌদি- পাকিস্তান চুক্তি: ন্যাটোর মতো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলল দুই দেশ

by স্টাফ রিপোর্টার
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫
in আন্তর্জাতিক
Share on FacebookShare on Twitter

পাকিস্তান ও সৌদি আরব পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই ঐতিহাসিক চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে আলেকজ্যুতে শক্তিশালী সামরিক সম্পর্ক গড়ে উঠছে, যা পশ্চিমা জোট ন্যাটোর মতোই একটি প্রতিরোধমূলক ছাতা হিসেবে কাজ করবে। সৌদি মিডিয়া এই চুক্তিকে নিয়ে বিশেষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে।
চুক্তির অনুযায়ী, যদি কোনো এক দেশের ওপর আক্রমণ হয়, তবে সেটি উভয় দেশের বিরুদ্ধে আঘাত হিসেবে গণ্য হবে। শুক্রবার টিআরটি ওয়ার্ল্ড সংবাদমাধ্যম এই তথ্য প্রকাশ করে। সৌদি আরবের গণমাধ্যমে এই চুক্তিকে ‘প্রতিরোধমূলক ছাতা’ বলে অভিহিত করা হয়েছে, যা উভয় দেশকে সীমাহীন সামরিক সক্ষমতা ব্যবহারে সুযোগ দেবে।
রিয়াদে গত বুধবার সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
তারা আরো উল্লেখ করে, ‘যে কোনো এক দেশের উপর আক্রমণ মানে উভয় দেশের ওপর আঘাত।’ একজন জ্যেষ্ঠ সৌদি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, এটি বহু বছরের আলোচনা ফসল এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের মাথায় নয়, বরং দীর্ঘদিনের গভীর সহযোগিতার ফলাফল। তিনি আরও জানান, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা চুক্তি, যেশত সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান (ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ছোট ভাই) এক্স-এ লিখেছেন, “সৌদি আরব ও পাকিস্তান যেকোনো আগ্রাসীর বিরুদ্ধে একসাথে থাকবে চিরদিন।”
দেশটির বিভিন্ন সংবাদপত্রে এই চুক্তিকে ‘ইসলামি ফ্রন্টের ঐতিহাসিক শক্তিবৃদ্ধি’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। সৌদি ও পাকিস্তানি পতাকা আলোকিত করা হয় বিভিন্ন শহরের টাওয়ারগুলোতেও। একটি কলামে লেখক মুতেব আল আউয়াদ এই চুক্তিকে ‘ইসলামি শক্তির ঐতিহাসিক দুর্গ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তি একত্রিত হয়ে আঞ্চলিক প্রতিরোধকে নতুন রূপ দিয়েছে।’ তিনি বলেন, সৌদি অর্থনৈতিক শক্তি ও সামরিক সক্ষমতা বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর ফলে দেশটি আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অগ্রভাগে অবস্থান করছে।
আউয়াদ আরও বলেন, ভিশন ২০৩০ এর কারণে সৌদি প্রতিরক্ষা শিল্প ও অস্ত্রনির্মাণে দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে, ফলে দেশটি এখন উপসাগর ও ইসলামী বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিরক্ষা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
অপরদিকে, পাকিস্তান হলো পারমাণবিক শক্তিধর এক দেশ, যার বিশাল সেনাবাহিনী, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং আরবসাগরের উপকূলে শক্ত অবস্থান রয়েছে। দেশটির জনসংখ্যা ও প্রতিরক্ষা অবকাঠামো যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে। এই চুক্তি দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তার জন্য একটি ‘বন্ধনীয় ছাতা’ সৃষ্টি করেছে, যেখানে থাকবে সামরিক পরিকল্পনা, গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি, যৌথ মহড়া, নৌ ও বিমান সহযোগিতা, পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়ন কাজ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি পাকিস্তান ও সৌদির মধ্যে ন্যাটোর মতো একটি সম্মিলিত সামরিক নীতি গড়ে তুলেছে। আল-আরাবিয়া সংবাদমাধ্যমকে বিশ্লেষক মুনীফ আম্মাশ আল-হারবি ব্যাখ্যা করেছেন, এতে উভয় দেশের ওপর ভর করে সামরিক ক্ষমতা ব্যবহারের সুযোগ থাকছে এবং এটি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পক্ষগুলোর জন্য একটি বার্তা।
অপর দিকে, সৌদি বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফয়সাল আল-হামাদ বলেন, “এই চুক্তি ন্যাটোর নীতিকে অনুসরণ করে, যেখানে একটি দেশের ওপর আক্রমণ মানে সবার ওপর আক্রমণ।”
সৌদি ও পাকিস্তানি সংবাদপত্রগুলো এই চুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে নিয়ে আসছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি জানায়, চুক্তির পর ইসলামাবাদে সৌদি ও পাকিস্তানি পতাকা আলোড়িত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতার অন্যতম গুরুত্ব হচ্ছে, গাজা যুদ্ধের সময় এই চুক্তির প্রভাব। এর মধ্য দিয়ে গাজায় চলমান ইসরাইলি হামলা ও সংঘাতের পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এই চুক্তির ফলস্বরূপ, কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় উদ্যোগে মধ্যস্থতা চালাচ্ছে। এরই মধ্যে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত থাকায় প্রায় ৬৫ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার বেশিরভাগই নারী ও শিশু, এবং চাপা পড়েছেন আরও অনেকে। কিছু বিশেষজ্ঞ ধারণা করছেন, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আসল হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি, সম্ভবত দুই লাখের কাছাকাছি।

Next Post

বাংলাদেশসহ ৯ দেশের উপর আরব আমিরাতের ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি

Jago Bangla 24

Jago Bangla 24 is a leading Bangladeshi Online News Portal, covering various topics and analysis from a complete neutral perspective.

নেপথ্যে যারা

সম্পাদকঃ শেখ শহীদ আলী সেরনিয়াবাত
সহ সম্পাদকঃ বাতেন আহমেদ
প্রকাশকঃ আহমেদ রুবেল

যোগাযোগ

সম্পাদনা বিভাগঃ [email protected]
সংবাদ বিভাগঃ  [email protected]
বিপণন বিভাগঃ [email protected]

© 2008 - 2006 Jago Bangla 24. - All rights reserved by Jago Bangla 24..

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন

© 2008 - 2006 Jago Bangla 24. - All rights reserved by Jago Bangla 24..