নাসির হোসেনের ব্যাট থেকে ঝুলন্ত ৫০ বলের অপরাজিত ৯০ রানের অসাধারণ ইনিংসের ফলে ঢাকা ক্যাপিটালস সহজে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে সাত উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা আরও তিনটি বল বাকি থাকতেই ম্যাচটি নিজের করে নেয়।
ম্যাচের শুরুতে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকা দ্রুত দুই উইকেট হারায়। প্রথমে রহমানউল্লাহ গুরবাজ শূন্য রান করে আউট হন, এরপর আব্দুল্লাহ আল মামুন এক রান করে ফিরে যান। এই পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন নাসির ও ইরফান শুক্কুর। দুজনের মিলিত সংগ্রামে গড়ে ওঠে ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
১১ বলে ১২ রানে ইরফান শুক্কুর আউট হলেও ঢাকার জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়নি। দলের জয় নিশ্চিতে অবদান রেখেছেন নাসির ও ইমাদ ওয়াসিম। নাসিরের ব্যাট থেকে আসে ১৪টি চার ও দুটি ছক্কার মার, যেখানে তার ইনিংসটা ছিলো ৫০ বলে ৯০ রান। ইমাদ ওয়াসিম ক্যামিও হিসেবে ১৬ বলে ২৯ রান করেন।
অপর দিকে, নোয়াখালী ব্যাটিংয়ে শুরুতেই বিপদে পড়ে গেলে পাওয়ার প্লে’তেই তিন উইকেট হারায়। সাউম্য সরকার মাত্র এক রান করে ফিরে যান, এরপর হাবিবুর রহমান সোহানও ছয় রানে আউট হন। মুনিম শাহরিয়ারও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি, তিনি ছয় বলে দুই রান করে আউট হন। এই সব উইকেটের পতনে ১৮ রানেই ত্রিফলা দলের।
৪০ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট পড়ে। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে ফিরিয়ে দেন জিয়া শরিফি, এবং মাজ সাদাকাতকে আউট করেন নাসিরের বলে। মোট ৪০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে নোয়াখালী সংগ্রহ করে ১৩৩ রান। শেষের দিকে মোহাম্মদ নবি ও হায়দার আলী দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাঁদের অনবদ্য জুটিতে হয় ৯০ রানের পার্টনারশিপ।
অবশেষে, ৩৩ বলে ৪২ রান করা নাবি আর হায়দার আলীর ব্যাটে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৩৩ রানের সংগ্রহ গড়ে নোয়াখালী। তবে এই চেলে তারা জিততে পারেনি, কারণ ঢাকার তিনজন বোলারই কার্যকরভাবে তাদের অল্প রানে আটকে রেখেছেন।

