নিরাপদ ও মনোয়োঃমত এক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা হতাহত হয়েছেন, তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল সুরক্ষিত, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। তারেক রহমান যোগ করেন, যদি একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে ভবিষ্যতেও শোক সভা ও শোকগাথা চালিয়ে যেতে হবে। কিন্তু এখন থেকে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে, গণতন্ত্রের বিজয় ও ভবিষ্যতের বাংলাদশের জন্য স্বপ্ন দেখেতে হবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর বছরে ঢাকা শহরের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে রবিবার গণশ্রদ্ধা/শোক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে শহীদ ও হতাহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন চালিয়ে কেউ যেন গা-ছাড়া নয়, এই আন্দোলন ছিল সত্যিকারের অধিকারপ্রাপ্ত মানুষের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মতোই, ২০২৪ সালের এই আন্দোলনও দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের মুক্তির জন্য। এই জন্যই সকল নাগরিকদের উচিত সচেতন থাকা। তিনি সতর্ক করে বলে যান, যারা স্বাধীনতা রক্ষা আন্দোলনকে একক বা দলীয় স্বার্থের সঙ্গে মিলিয়ে দিতে চায়, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ২০১৪ সালের আন্দোলনের স্মরণে তিনি বলেন, সেই সময়ের হাহাকার, হতাহত ও অবর্ণনীয় কষ্টের চিত্র মানুষ এখনও ভুলে যায়নি। যারা কষ্টের মধ্যে পড়েছে, তাদের ক্ষতিপূরণের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেন সমস্ত দল-মত ও সব নাগরিকদের স্বার্থের সার্বভৌম দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তিনি শেষপর্যন্ত বল pronounce করেন, দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং একে অপরের পাশে থাকতে হবে।

