রংপুর রাইডার্সের জন্য কঠিন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে সিলেট টাইটান্সকে শেষ মুহূর্তে হারিয়ে কোয়ালিফায়ার পর্যায়ে প্রবেশের ব্যাপারে বিশ্বস্ততা অর্জন করলো। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে রংপুরের ব্যাটসম্যানরা খুব একটা ভালো করতে পারেননি, ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১১ রান সংগ্রহ করে। এই লক্ষ্য সন্দেহাতीतভাবে কম হলেও, রংপুরের বলিং অ্যালাইনমেন্টও শুরুতে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করেছিল সিলেটের জন্য। তবে দলনেতা মেহেদী হাসান মিরাজ ও প্রশিক্ষিত ব্যাটসম্যান স্যাম বিলিংসের জুটিতে রংপুরের বোলিংকে সামাল দেন তারা, ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের পক্ষে আনেন। বিশেষ করে বিলিংস ২৯ রান করেন, আর মিরাজ ১৮ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। অন্যদিকে, পারভেজ হোসেন ইমন ১৮, আরিফুল ইসলাম ১৭ ও আফিফ হোসেন ৩ রান করেন। শেষআসরে, ৬ রান প্রয়োজন ছিল দলের জন্য, তখনই অবশ্য ব্যতিক্রমী এক সিদ্ধান্ত নেন ক্রিস ওকস। ফাহিম আশরাফের ভাষায় বলটি ফেঙ্কিগে ফেলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ইংলিশ তারকা ওকস। ফলে, এই জয় রংপুরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, কারণ তা তাদেরকে কোয়ালিফায়ার খেলার একদম শেষ রক্ষা করে দেয়। অন্যদিকে, সিলেটের ব্যাটিং শুরুতেই বেশ চাপে পড়ে। মাত্র ১১১ রানে পুরো টিম আউট হয়, যেখানে সিলেটের সর্বোচ্চ স্কোর হয় ৩৩ রান (রিয়াদ), খুশদিল শাহ ৩০। ব্যাটসম্যানরা বেশি সময় উইকেটে টিকে থাকলেও, সতর্কভাবে ব্যাটিং করার জন্য তারা কৃতিত্ব পেতেন। বললে, সিলেটের বলিংয়ে খালেদ আহমেদ চার উইকেট নেন, আর ওকস ও নাসুম আহমেদ দু’থেকে দুটি করে উইকেট নেন। অবশেষে, শেষ বলে দরকার ছিল ৬ রান। এমতাবস্থায়, ক্রিস ওকসের সাহসী ব্যাটিংয়ে দীর্ঘ শট হাঁকিয়ে ছক্কা মারেন এবং দলের জয়ের গল্প লিখে দেন। এর ফলে রংপুর ১৫৭ রানে পৌঁছে যায় এবং সুপার লিগে যাওয়ার পথে তারা সফলতা অর্জন করে।

