বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের জন্য কাজ করতে হলে একটি স্থির রাজনৈতিক পরিকল্পনা প্রয়োজন এবং সেই পরিকল্পনা আছে বিএনপির। ‘বিএনপির পরিকল্পনা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে দেশ চলবে, কীভাবে শিক্ষার আলো ছড়ানো যাবে, আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যাবে এবং দুর্নীতির লাগাম টানা যাবে,’ তিনি বলেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কেট হাউস ময়দানে অনুষ্ঠিত দলের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৫ বছর সাধারণ মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। সেই কারণে জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও রাস্তাঘাটের মতো মৌলিক সমস্যার পূর্ণতা হয়নি। যদি ভোটের অধিকার থাকতো, এসব সমস্যার সমাধান হত। মানুষ চায় অসুস্থ হলে সময়মতো চিকিৎসা পেতে এবং তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত থাকবে।’
এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামিকে উদ্দিষ্ট করে বলেন, একটি রাজনৈতিক দল বিএনপির বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী ভাষায় কথা বলছে এবং অভিযোগ করছে বিএনপি দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন ছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ২০০১-২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের সময় তাদের দুজন মন্ত্রীও ছিলেন—তাহলে তারা কেন পদত্যাগ করেননি? কারণ তারা জানতেন খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করেছে, এমনই বক্তব্য রাখেন তিনি।
বিকেলের জনসভায় তার বক্তব্যের আগে জেলা ছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মীরা বাস ও মাইক্রোবাসে মিছিল করে মঞ্চে উপস্থিত হন। অনেকে বলেন, তারা চেয়ারম্যানকে চোখে দেখতে আগেভাগে জনসভায় জমায়েত হয়েছেন।
এর আগে সকাল ১১ঃ০৫ মিনিটে রাজধানীর গুলশান থেকে ময়মনসিংহে নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেয়ার উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের গাড়িবহর রওনা হয়।

