কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও তৎসংশ্লিষ্ট পানিশোধনাগারে হামলার দায় কেড়ে নিয়েছে কুয়েতি কর্তৃপক্ষ — তাদের বরাতেই জানানো হয়েছে যে হারানো প্রাণের মধ্যে একজন ভারতীয় কর্মী রয়েছেন এবং স্থাপনার একটি ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, এটি ইরানি আগ্রাসনের অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার সঙ্গে সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক টেকনিক্যাল ও জরুরি সাড়া দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই টিমগুলো কেন্দ্রের কার্যক্রম পুনরায় সচল রাখতে এবং অতিরিক্ত ক্ষতি রোধে কাজ করছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান এখনো ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত কিছু গণমাধ্যম কুয়েতি মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পানিশোধনাগারটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে — এইসব তথ্য উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও সূত্র অনুযায়ী জানিয়েছে, রবিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় তাদের আকাশে ১৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১২টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছিল; এসবের কিছু একটি সামরিক শিবিরে আঘাত করায় ১০ জন সেনা আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নির্দিষ্টভাবে কে দায়ী, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না — কুয়েতি কর্তৃপক্ষের দাবি এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টগুলো অনুসারে ঘটনার তদন্ত ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে কুয়েতেও সামরিক ও অবকাঠামোগত হামলার ঘটনা ঘনীভূত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

