ঢাকাঃ শুক্রবার, এপ্রিল ১০, ২০২৬
Jago Bangla 24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
No Result
View All Result
Jago Bangla 24
No Result
View All Result

১৭টি ব্যাংক লোকসানে, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেক কমেছে

by স্টাফ রিপোর্টার
এপ্রিল ১০, ২০২৬
in অর্থনীতি, অর্থনীতি
Share on FacebookShare on Twitter

২০২৪ সালে দেশের বীমা-ব্যাংকিং খাত একটি কষ্টকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে—বছরজুড়ে আর্থিক চাপের ফলে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা করতে পারেনি এবং মুনাফা করা ব্যাংকগুলোরও আয় প্রত্যাশার চেয়ে বেশ কমেছে। তার প্রভাব সরাসরি পরিলক্ষিত হয়েছে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) ব্যয়ে; ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ সিএসআর সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণে বলা হয়েছে যে ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) সময়কালে দেশের ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক সিএসআর খাতে মোট মাত্র ৩৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা খরচ করেছে। এর ফলে আগের বছরের তুলনায় ব্যয় কমেছে ২৭০ কোটি ৯১ লাখ টাকা, যা প্রায় ৪২ শতাংশ পতন।

গত এক দশকে এটি সিএসআর খাতে সর্বনিম্ন ব্যয়। এর আগে ২০১৫ সালে সেক্টরে সর্বনিম্ন ব্যয় ছিল ৫২৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা—তার তুলনায় এবারের ব্যয় প্রায় ১৮২ কোটি টাকা বা প্রায় ৩৪.৫৭ শতাংশ কমেছে, যা খাতে নতুন নিম্নমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য পরিসংখ্যানও উদ্বেগজনক: ২০২৪ সালে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয় ছিল ৬১৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৩০৮ কোটি টাকা বা ৩৩ শতাংশ কম। ২০২৩ সালে ব্যয় ছিল ৯২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা এবং ২০২২ সালে ১,১২৯ কোটি টাকা—অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে সিএসআর ব্যয় কমেছে ৫১৩ কোটি টাকা, যা ৪৫ শতাংশের বেশি পতন।

শিল্প-জ্ঞ এবং ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ের ছাত্র ও জনতা আন্দোলন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আগস্টে সরকার পরিবর্তনের প্রভাব ব্যাংকিং খাতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন ব্যাংকের অনিয়ম, লুটপাট ও অর্থ পাচারের তথ্য প্রকাশ্যে আসায় কাগজে-কলমে দেখানো ‘মুনাফা’ আর বাস্তব আর্থিক চিত্রের সঙ্গে মিলে যায়নি। খেলাপি ঋণ বাড়ায় প্রকৃত লোকসানের হিসাবও সামনে এসেছে। বিশেষ করে শরিয়াভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কিছু দুর্বল ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের মতের এক বড় কারণ অভ্যন্তরীণ: রাজনৈতিক চাপও সিএসআর ব্যয় কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। আগে রাজনৈতিক সরকারের সময় বিভিন্ন পর্যায় থেকে অনুদান বা সহায়তার জন্য চাপ থাকত, ফলে ব্যাংকগুলো নানা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সাংস্কৃতিক বা স্থানীয় কাজে বেশি ব্যয় করত—অনেক ক্ষেত্রেই তা সিএসআর-এর মূল উদ্দেশ্যের বাইরে গিয়েছিল। ২০২৪ সালের আন্দোলন ও পরে সরকার বদলের পর সেই চাপ অনেকটাই কমেছে; ফলে ব্যাংকগুলো এখন তুলনামূলকভাবে কড়া বিবেচনায় সিএসআর খরচ করছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সিএসআর খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আবশ্যক। রাজনৈতিক চাপ বা অনিয়মের কারণে অনুৎপাদনশীল প্রকল্পে অর্থ খরচ হলে সামাজিক দায়বদ্ধতার মূল উদ্দেশ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা আছে যে ব্যাংকগুলোকে তাদের নিট মুনাফার একটি অংশ সিএসআর খাতে ব্যয় করতে হবে—তার মধ্যে ৩০ শতাংশ শিক্ষায়, ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে এবং ২০ শতাংশ পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় রাখতে হবে; বাকি ২০ শতাংশ অন্যান্য খাতে ব্যয় করা যাবে। কিন্তু বাস্তবে নির্দেশনা পুরোপুরি মানা হচ্ছে না। ২০২৫ সালে ব্যাংকগুলো সবচেয়ে বেশি—৩৬ শতাংশ—ব্যয় করেছে ‘অন্যান্য’ খাতে; শিক্ষায় ব্যয় হয়েছে ২৮.৫৩ শতাংশ এবং পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে কেবল মাত্র ১০ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী আলোচিত সময়কালে ১১টি ব্যাংক সিএসআর খাতে কোনো অর্থই ব্যয় করেনি। সেসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে: জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

আরেকটি উদ্বেগজনক দিক—বিগত বছরে লোকসানে থাকা ব্যাংকের সংখ্যা ছিল বেশি। ২০২৪ সালে লোকসানে থাকা ব্যাংকের তালিকায় রয়েছেন জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এসব লোকসানেথিত ব্যাংকের মধ্যে ছয়টি—এিবি ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক—এনবিছেও সিএসআর খাতে অর্থ ব্যয় করেছে।

সিইও ও নীতি নির্ধারকদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো—কিভাবে ব্যাংকিং খাতকে আর্থিকভাবে স্থিতিশীল করা যায় এবং একই সঙ্গে সিএসআর-কে অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও সামাজিক প্রয়োজনের সঙ্গে মিল রেখে স্বচ্ছভাবে কার্যকর করা যায়। ব্যাংকিং নিয়ম ও তদারকি শক্ত করা, সিএসআর-এ জবাবদিহিতা আর উদ্যোগগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে বাস্তবায়ন করাই ভবিষ্যতে খাতের স্থিতিশীলতা এবং সমাজসেবা নিশ্চিত করার পথ হবে।

Next Post

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে নজিরবিহীন ভোট ডাকাতির অভিযোগ: গোলাম পরওয়ার

Jago Bangla 24

Jago Bangla 24 is a leading Bangladeshi Online News Portal, covering various topics and analysis from a complete neutral perspective.

নেপথ্যে যারা

সম্পাদকঃ শেখ শহীদ আলী সেরনিয়াবাত
সহ সম্পাদকঃ বাতেন আহমেদ
প্রকাশকঃ আহমেদ রুবেল

যোগাযোগ

সম্পাদনা বিভাগঃ [email protected]
সংবাদ বিভাগঃ  [email protected]
বিপণন বিভাগঃ [email protected]

© 2008 - 2006 Jago Bangla 24. - All rights reserved by Jago Bangla 24..

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন

© 2008 - 2006 Jago Bangla 24. - All rights reserved by Jago Bangla 24..