ঢাকাঃ রবিবার, এপ্রিল ১২, ২০২৬
Jago Bangla 24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
No Result
View All Result
Jago Bangla 24
No Result
View All Result

১৭ ব্যাংক লোকসানে, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধে নেমে গেল

by স্টাফ রিপোর্টার
এপ্রিল ১১, ২০২৬
in অর্থনীতি, অর্থনীতি
Share on FacebookShare on Twitter

২০২৪ সালে বাজে আর্থিক অবস্থার দাপটে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সংকট গভীর হলো—সেই বছর ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা করতে ব্যর্থ হয়। সেই আর্থিক ধাক্কায় পরবর্তীতে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয়ও নাটকীয়ভাবে কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর সংক্রান্ত প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মোট সিএসআর ব্যয় দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ২৭০ কোটি ৯১ লাখ টাকা—প্রায় ৪২ শতাংশ—কম।

এটি গত এক দশকের মধ্যে সিএসআর খাতে সবচেয়ে নিম্নস্তরের ব্যয়। আগের নিম্নতম রেকর্ড ছিল ২০১৫ সালে, তখন খরচ ছিল ৫২৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা; তুলনায় এবারের ব্যয় প্রায় ১৮২ কোটি টাকা কম হয়েছে (৩৪.৫৭ শতাংশ)।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সিএসআর খাতে খরচ হয়েছিল ৬১৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, যা ২০২৩ সালের ৯২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকার তুলনায় ৩০৮ কোটি টাকা বা প্রায় ৩৩ শতাংশ কম। ২০২২ সালে সিএসআর ব্যয় ছিল ১,১২৯ কোটি টাকা—অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে খরচ প্রায় ৫১৩ কোটি টাকা বা ৪৫ শতাংশেরও বেশি কমেছে।

খাত বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার আন্দোলন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পরবর্তী সরকার পরিবর্তন ব্যাংকিং খাতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন ব্যাংকের অনিয়ম, লুটপাট ও অর্থপাচারের তথ্য প্রকাশ পেলে কাগজে-কলমে দেখানো মুনাফা আর বাস্তব আর্থিক চিত্রের মধ্যে ফাঁক উন্মোচিত হয়। খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ায় প্রকৃত লোকসান প্রকাশ্যে আসে এবং বিশেষ করে শরিয়াভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে। সরকারি হস্তক্ষেপে দুর্বল ব্যাংকগুলোর স্থিতিশীলতা ফেরাতে একাধিক ব্যাঙ্ক একীভূত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংকারদের বক্তব্য, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনও সিএসআর ব্যয় কমার একটি বড় কারণ। রাজনৈতিক সরকারের সময়ে বিভিন্ন পর্যায় থেকে অনুদান ও সহযোগিতার জন্য চাপ থাকায় ব্যাংকগুলো অনেক সময় উচ্চ মাত্রায় খরচ করত; এমনকি প্রায়শই সেগুলো সিএসআর-এর পরিধির বাইরে চলে যেত। ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের আন্দোলন ও সরকারের বদলের পর সেই চাপ অনেকটাই কমে যাওয়ায় ব্যাংক এখন তুলনামূলকভাবে বিচারে সিএসআর ব্যয় করছে।

অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেন, সিএসআর ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জরুরি। রাজনৈতিক চাপ বা অনিয়মের কারণে অর্থ অনুৎপাদনশীল প্রকল্পে চলে গেলে সামাজিক দায়বদ্ধতার মৌলিক উদ্দেশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে—ব্যাংকগুলোকে তাদের নিট মুনাফার একটি অংশ সিএসআর খাতে ব্যয় করতে হবে; তা-ই নির্দেশে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে যথাক্রমে ৩০ শতাংশ করে, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ২০ শতাংশ এবং বাকিটা অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করার কথা বলা হয়েছে। তবে বাস্তবে নির্দেশনার সঙ্গে মিল নেই। ২০২৫ সালে ব্যাংকগুলো সবচেয়ে বেশি—৩৬ শতাংশ—ব্যয় করেছে ‘অন্যান্য’ খাতে। শিক্ষায় গিয়েছে ২৮.৫৩ শতাংশ, স্বাস্থ্য খাতে জমেছে উল্লেখযোগ্য অংশ, আর পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে মাত্র ১০ শতাংশ বরাদ্দ হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আলোচিত সময়ে ১১টি ব্যাংক সিএসআর খাতে একটিও টাকা খরচ করেনি। ওই ব্যাংকগুলো হলো: জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

এছাড়া ২০২৪ সালে লোকসানে থাকা ব্যাংকগুলোর তালিকায় রয়েছে জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

উল্লেখ্য, এই লোকসান মোকাবিলার সময়েও ছয়টি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক সিএসআর খাতে টাকা দিয়েছে—এগুলো হল এবি ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

সারমর্মে, আর্থিক চাপ, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও প্রকাশিত অনিয়ম মিলিয়ে ব্যাংকখাতের সিএসআর ব্যয় গত কয়েক বছরে দ্রুতভাবে কমেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাতে সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রম পিছিয়ে না পড়ে, তার জন্য সিএসআর-র পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও লক্ষ্যভিত্তিক বরাদ্দ জরুরি।

Next Post

নাহিদ ইসলাম: ক্ষমতার স্বাদে বিএনপি জনগণের কথা ভুলে গেছে

Jago Bangla 24

Jago Bangla 24 is a leading Bangladeshi Online News Portal, covering various topics and analysis from a complete neutral perspective.

নেপথ্যে যারা

সম্পাদকঃ শেখ শহীদ আলী সেরনিয়াবাত
সহ সম্পাদকঃ বাতেন আহমেদ
প্রকাশকঃ আহমেদ রুবেল

যোগাযোগ

সম্পাদনা বিভাগঃ [email protected]
সংবাদ বিভাগঃ  [email protected]
বিপণন বিভাগঃ [email protected]

© 2008 - 2006 Jago Bangla 24. - All rights reserved by Jago Bangla 24..

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন

© 2008 - 2006 Jago Bangla 24. - All rights reserved by Jago Bangla 24..