মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে জয় আশা দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত হতাশায় ডুবে পড়েছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডকে পড়ন্ত সকালে ২৪৭ রানের টার্গেট দিয়েছে টাইগাররা পূরণ করতে পারেনি এবং ৪৮.৩ ওভারে ২২১ রানে অলআউট হয়ে হার মেনে নেয় — ফলে সিরিজে ১-০ পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে নিউজিল্যান্ড এবং নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান সংগ্রহ করে। হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ংয়ের ৭৩ রানের জুটিতে দলকে শক্ত ভিত্তি গড়ে ওঠে। সপ্তম ওভায় শরিফুল ইসলাম নিক কেলিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের প্রথম সফলতা আসে। পরে রিশাদ হোসেন ইয়ংকে (৩০) ফিরিয়ে momentum কিছুটা বাংলাদেশে নিয়ে আসেন, वहीं মেহেদী হাসান মিরাজ টম ল্যাথামকে আউট করেন। রিশাদ নিকোলসকেও ফেরান এবং ডিন ফক্সক্রফটের অর্ধশতকের ফলে নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৭ রানে পৌঁছে। বোলিং বিভাগে শরিফুল ও রিশাদ দু’জনই দুটি করে উইকেট নেন, তাসকিন আহমেদও দুটি উইকেট শোধ করেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। তানজিদ হাসান, তামিম ইকবাল ও নাজমুল হোসেন শান্ত দ্রুত ফিরে গেলে শুরু থেকেই চাপ তৈরি হয়। এরপর সাইফ হাসান (৫৭, ৭৬ বল) ও লিটন দাস (৪৬, ৬৮ বল) তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রান যোগ করে দলের প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং ম্যাচে বাংলাদেশকে ফিরে আসার প্রত্যাশা দেন। সাইফের বিদায়ের পর লিটনও আউট হলে চাপে পড়ে দল।
তাওহিদ হৃদয় আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে চেষ্টা চালালেও আফিফ ধীরগতিতে ২৭ রান করে আউট হন এবং মিরাজও গুরুত্বপূর্ন অগ্রগতি করতে পারেননি। হৃদয়ের ৫৫ রানের লড়াই দলের জয়ের ঘরিভিত্তি করেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত টার্গেট স্পর্শে বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়ে ২২১ রানে থামে; নিউজিল্যান্ড ২৬ রানে জয় নিশ্চিত করে।
ব্যক্তিগতভাবে সাইফ, লিটন ও হৃদয়ের ইনিংস ছিল প্রশংসনীয়, কিন্তু ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাবে টাইগাররা জয় টেনে আনতে পারেনি। সিরিজের পরের দুই ম্যাচে বাংলাদেশকে ফিরে আসার সুযোগ থাকবে এবং টাইগারদের জন্য এখন পরীক্ষা হবে কিভাবে তারা তা কাজে লাগায়।

