খুলনায় অস্ত্র মামলার পৃথক দু’টি ধারায় মোঃ মেহেদী হাসান মমি জমাদ্দার (২০) নামে এক যুবককে আদালত ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন। এই রায় বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধদমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক সাবেরা সুলতানা খানম ঘোষণা করেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল না। তিনি দৌলতপুর থানাধীন পবলা হাস খামার এলাকার বাসিন্দা এবং শামীম জমাদ্দারের ছেলে।
মামলার তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১১টার দিকে দৌলতপুর থানার এসআই আলিমুজ্জামان বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, দৌলতপুর থানার বিভিন্ন মামলার সন্দেহভাজন আসামি মোঃ মেহেদী হাসান মমি পাবলা ফকিরপাড়ার হক সাহেবের বাড়ির সামনে অবস্থান করছে। এই সংবাদ পাওয়ার পরে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে মমি পুলিশকে জানায়, তার কাছে দৌলতপুর থানাধীন কল্পতরু মার্কেটে একটি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ‘নাজ এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি পরিত্যক্ত দোকানের ছাদ থেকে দেশের তৈরি একটি ওয়ান শুটার গান ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
অস্ত্র উদ্ধার এবং মামলার বিষয়ে, ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এসআই মোঃ আলিমুজ্জামান বাদী হয়ে থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে, ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মুকুল খান আসামি মমির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতে মোট ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়, এর মধ্যে ৭ জন সাক্ষ্য দেন। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন এবং তাকে ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

