খুলনায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে অপহরণ ও গুম করার চেষ্টার অভিযোগ জানিয়েছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী অনামিকা দাস (পপি)। সোমবার তিনি এ অভিযোগ করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেছেন।
অনামিকা জানান, দীর্ঘ ১৪ বছর স্বামী পরিত্যক্তা হিসেবে সন্তানকে নিয়ে খুলনায় বসবাস করেছিলেন। সে সময়ে কালী শংকর সাহা অরবিন্দু তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং হিন্দু বিবাহ আইন অনুসারে ৮ এপ্রিল ২০২৬ তার বাবা-মায়ের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
তবে তিনি বলেন, কালী শংকরের প্রথম পক্ষের লোকজন—বিশেষত ছেলে ডাঃ হিমেল সাহা ও পুত্রবধূ তন্নী দেবনাথ—এ বিয়েকে মেনে নেননি। বিয়ের পর থেকেই অনামিকা অভিযোগ করেন, প্রথম পক্ষের লোকজন তাকে মানসিকভাবে নির্যাতন, হুমকি ও অপমান করেছে এবং অনেক সময় বাড়িতে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অনামিকা আরও জানান, গত ১৬ এপ্রিল কৌশলে her স্বামীকে আটকে রেখে তাঁর মোবাইল ফোন জব্দ করে নেওয়া হয়। পরে তিনি জানতে পারে যে তাকে খুলনা থেকে জোরপূর্বক ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার পর তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন (সিআর নং ৯৪১/২৬)। আদালত_search warrant_ জারি করলেও এখন পর্যন্ত স্বামীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
অনামিকা অভিযোগ করেন, স্বামীকে অসুস্থ বলে ঢাকায় আটকে রাখা হচ্ছে এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে তাঁর স্বামীকে দেশের বাইরে নেওয়ারও পরিকল্পনা চলছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর চলমান মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন আড়াল করতে এ দাবি জানানো হচ্ছে বলে মনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অনামিকা দাস প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং তাকে বিদেশে নেওয়া রোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

