হরমুজ প্রণালির পাশে অবস্থিত ইরানের ৩৩টি মিসাইল সাইটের মধ্যে ৩০টি সাইট পুনরুদ্ধার করেছে দেশটি। এই ঘটনা दुनिया জুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে কারণ এর ফলে সেখান দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলো এখন ইরানি মিসাইলের ঝুঁকিতে পড়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস বুধবার (১৩ মে) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা দেখতে পেয়েছে যে, ইরানিরা এখন ওই সব সাইটের মধ্যে মোবাইল লঞ্চার ব্যবহার করে যেকোনো স্থান থেকে মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতা লাভ করেছে। আরো বিশদে বলা হয়, কিছু সাইটে লঞ্চ প্যাড রয়েছে যেখানে সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল নিক্ষেপ করা সম্ভব।
মার্কিন গোয়েন্দাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল চালানো হামলার ফলে হরমুজের দক্ষিণ পাশে থাকা ৩০টির মধ্যে মাত্র তিনটি সাইট পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে বেশিরভাগ সাইট এখনও সক্রিয় এবং হাতে থাকা স্মার্ট সামরিক সরঞ্জামের মাধ্যমে নির্ঝরিত ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, রোহিতের এ পরিস্থিতি আসন্ন সংঘর্ষের একটি আবহ তৈরি করেছে। এর পাশাপাশি জানা গেছে যে, ইরানের বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুদূরপ্রসারী গোপন হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত মার্চে সৌদি আরব ইরানে বেশ কিছু গোপন হামলা চালিয়েছে। এরপর ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে সৌদি আরবের ওপর আঘাত হানে।
প্রথমবারের মতো এ ধরণের সরাসরি হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে সূত্রগুলো জানায়। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সৌদি আরব কোন কোন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করেছে সেটি স্পষ্ট নয়। এসব ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন আরও ডাবলই উত্তেজনাময় হয়ে উঠেছে।
