খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় আমাদের গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে এবং এটি জাতির মননগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, আমাদের কবি-সাহিত্যিকরা তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে পরিবর্তনের সোপান তৈরি করেছিলেন।
প্রশাসক মঞ্জু বলেন, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও জুলাই আন্দোলনের সময়ও সাহিত্য ও সংস্কৃতির অবদান অনস্বীকার্য। বর্তমানে যদিও সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা নানা সংকটের মুখোমুখি, তবু সাহিত্যের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের কৃষ্টি—সভ্যতা তুলে ধরে এই অঙ্গণকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবেশ তৈরি করেই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
গতকাল শুক্রবার সকালেই জেলা শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারীতে “কাব্য ক্যানভাসে অনুভব” শীর্ষক প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রদর্শনীতে খুলনার কবি-সাহিত্যিকদের রচিত কবিতা, অণুগল্প ও প্রকাশিত বইয়ের মোড়ক স্থান পেয়েছে।
আয়োজক সাহিত্যিক সংগঠন ‘‘আবৃত্তি ইশ্কুল’’ প্রদর্শনীটি দিনব্যাপী করেছে, যার লক্ষ্য অতীত ও বর্তমান কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে সংযোগ সৃষ্টি করা। প্রশাসক অনুষ্ঠানটির ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনকে অভিনন্দন জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের শুভেচ্ছা জানান এবং শিশু-কিশোরদের এই ধরনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার প্রতি আহ্বান জানান। তিনি সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সম্ভব সকল সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি আফরোজ জাহান চৌধুরী কলি সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, সংগঠনের উপদেষ্টা নাছিমা সুলতানা নিলু ও জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তৃতা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সালমানুল মেহেদী মুকুট। অনুষ্ঠানের শেষে প্রশাসক গ্যালারি ঘুরে প্রদর্শনীর নানা উপস্থাপনা পর্যালোচনা করেন।

