ভ্যাপসা গরমে দুর্ভোগ বাড়ছে জনজীবনে। এবার ১১টি জেলায় তাপপ্রবাহ দেখা যাচ্ছে — রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ঢাকা, টাঙ্গাইল, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসছে।
আজ শুক্রবার (২২ মে) থেকে আগামী সোমবার (২৫ মে) পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের নানা এলাকার ওপর বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে; কোথাও কোথাও তা ভারী বর্ষণের রূপ নিতে পারে। তবে এই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী নাও হতে পারে — আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার (২৬ মে) থেকে তাপমাত্রা আবার বাড়তে শুরু করবে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার সময়েও অনেক জায়গায় তীব্র গরম অনুভূত হতে পারে এবং কিছু এলাকায় আবার তাপপ্রবাহ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, বলেছে আবহাওয়া অফিস। এ নিয়ে ভাবছেন যে ঈদের দিন কেমন থাকবে।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, ২৮ মে ঈদের দিনে রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। বরং ওইদিন ঢাকা বিভাগের কিছু এলাকায় তাপপ্রবাহ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে ঈদের দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আর আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের کچھ কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী এবং কিছু জায়গায় অতিভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
সারথে, ঈদের সময়ের আবহাওয়া বিভাগভিত্তিক ভিন্ন চিত্র নিতে পারে — ঢাকায় বৃষ্টি কমের সম্ভাবনা থাকলেও দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে এবং কিছু পশ্চিমাঞ্চলে গরমের তীব্রতা বাড়তে পারে। সাধারণ নাগরিকদের আবহাওয়া অফিসের আপডেট নজরে রেখে প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণ করতে বলা হচ্ছে — পর্যাপ্ত পানি পান, প্রচণ্ড রোদ এড়িয়ে চলা ও বৃষ্টির সম্ভাবনায় যাত্রাসূচীর আগে পরিস্থিতি পরীক্ষা করা ভালো।