খুলনার জোড়াগেট পশুর হাটে এবারের কোরবানির মরসুমে মোট ৬ হাজার ৮৮০টি পশু বিক্রি হয়ে কেসিসির (খুলনা সিটি কর্পোরেশন) তহবিলে এসেছে ২ কোটি ১৫ লাখ ৪৪ হাজার ২৩২ টাকা রাজস্ব। হাট ভাঙা পর্যন্ত পশু বিক্রি ভালো হওয়ায় আয়ও উল্লেখযোগ্য রেকর্ড ধারণ করেছে।
কেসিসির নিয়ন্ত্রণ কক্ষের চূড়ান্ত তথ্য অনুযায়ী, হাটে বিক্রি হওয়া পশুর মধ্যে ছিল ৪ হাজার ৪৩৩টি গরু, ২ হাজার ২৭০টি ছাগল, ১৭৬টি ভেড়া এবং ১টি মহিষ। চার শতাংশ খাজনা হার প্রয়োগে এসব লেনদেন থেকে মোট ২ কোটি ১৫ লাখ ৪৪ হাজার ২৩২ টাকা আদায় করা হয়েছে।
গত বছরের তুলনায় এবারের পশু বিক্রির সংখ্যা বাড়লেও রাজস্বে খানিকটা পার্থক্য দেখা গেছে—এবার ৬ হাজার ৮৮০টি পশু বিক্রি হয়েছে, যেখানে আগের বছর ছিল ৬ হাজার ৬৫১টি। গতবার হাটে বিক্রি হয়েছিল ৪ হাজার ৩৮৩টি গরু, ২ হাজার ১৬২টি ছাগল, ১০৩টি ভেড়া ও ৩টি মহিষ এবং সেই সময় কেসিসির আয় ছিল ২ কোটি ৭ লাখ ৯ হাজার ৬০২ টাকা।
কেসিসির আইটি ম্যানেজার শেখ হাসান হাসিবুর হক জানান, জোড়াগেট হাটে এবারও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা ও ডিজিটাল লেনদেন নিশ্চিত করতে কড়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। তিনি জানান, “এই হাট থেকে মোট ৬ হাজার ৮৮০টি পশু বিক্রি হয়েছে এবং চার শতাংশ খাজনা হিসেবে ২ কোটি ১৫ লাখ ৪৪ হাজার ২৩২ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।”
সিটি করপোরেশনের সুপারিনটেনডেন্ট ট্যাক্সেশন (বাজার) ও হাট পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব শেখ শফিকুল হাসান দিদার বলেন, ঈদের ঠিক আগের দুই দিন ও ঈদ সকাল পর্যন্ত কেনাবেচা সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। এ বছরও হাটে একইভাবে ভিড় ও লেনদেন বেশি ছিল।
উল্লেখ্য, গত ২১ মে কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জোড়াগেট পশুর হাটের উদ্বোধন করেন। ২০০৯ সাল থেকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিবারের মতো এবারও এই ঐতিহ্যবাহী জোড়াগেট পশুর হাট পরিচালনা করেছে।
