পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে চলতি বছরের সরকারি ছুটি শেষ হচ্ছে আজ। দীর্ঘ সাত দিনের এই ছুটির আমেজ কাটিয়ে আজ, ১ জুন, সোমবার থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান तथा পুঁজিবাজার আবারও স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করবে। এর ফলে একদিকে যেখানে মানুষের কাজের চাহিদা আবারও বাড়তে শুরু করবে, वहीं কর্মব্যস্ততা ফিরবে স্বাভাবিক রূপে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে গত ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটিও যুক্ত হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের বিশ্রাম উপভোগ করেছেন। দীর্ঘ এই বিরতির পরে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী আজ থেকে আবারও কর্মস্থলে ফিরছেন।
ঈদ ছুটির সময় কিছু ব্যাংকের শাখা স্বল্প পরিসরে খোলা থাকলেও, আগামী সোমবার থেকে দেশের সব ব্যাংক সাধারণ নিয়মে পূর্ণাঙ্গ লেনদেন শুরু করবে। এছাড়াও, রাজধানীর বড় দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-ও আবার নিয়মিত লেনদেনের জন্য প্রস্তুত।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে অফিস ও ব্যাংকপাড়ায় কাজের চাপ কিছুটা কম থাকতে পারে। সাধারণত এই দিনটিতে সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় হয়। তবে, জানানো হচ্ছে যে, ছুটির কারণে কিছু সময়ের জন্য জমে থাকা দাপ্তরিক ও বাণিজ্যিক কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে কার্যক্রম জোরদার হবে।
সাধারণত ছুটির পর দেশের সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, ব্যাংক-বিমা কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও শেয়ারবাজারে আবার স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়। ঈদের আগে কিছু ব্যাংক সীমিত পরিসরে খোলা থাকলেও, আজ থেকে সব ব্যাংকের লেনদেন স্বাভাবিক হবে। একইসঙ্গে ঢাকা সহ দেশের শীর্ষ দুই শেয়ারবাজার, ডিএসই ও সিএসই-তেও নিয়মিত লেনদেন আবার শুরু হতে যাচ্ছে।
ঈদ শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ফিরতি যাত্রাও শুরু হয়েছে। শনিবার ও রোববার দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাস, ট্রেন ও নৌপথে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা। এর ফলে শহরের রাস্তাগুলোর গাড়ির চাপ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।
ব্যাংকপাড়ায়ও প্রথম কর্মদিবসে সাধারণত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লেনদেনের চাপ কম থাকলেও, ছুটির পর জমে থাকা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে এই সপ্তাহে ব্যাপক ব্যস্ততা দেখা যাবে বলে ধারণা।
সাধারণত, দীর্ঘ এই ছুটির শেষে আজ থেকে শুরু হবে দেশের সকল প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরতে শুরু করার প্রক্রিয়া। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সপ্তাহের মধ্যে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
