ইরান লেবাননে সাম্প্রতিক হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলের ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ অব্যাহত থাকায় তেহরান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরিচালিত আলোচনা ও খসড়া নথি আদান-প্রদান বন্ধ করবে।
তাসনিম জানিয়েছে, ইরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত এবং যেকোনো শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনীকে প্রত্যাহার করতে হবে। সংবাদমাধ্যমটি আইআরজিসি (ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী)-ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।
ইরানি কর্মকর্তারা জানান, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের তৎপরতা যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে এবং এই পরিস্থিতি বজায় থাকলে তারা কোনো প্রকার আলোচনায় বসবে না।
এই ঘোষণার প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ লেবাননের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার (১ জুন) জরুরি বৈঠক করছে। ওই বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে, যখন লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তের অনেক ভেতরে অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় দুর্গ ইসরায়েলি বাহিনী দখল করেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৈরুতে হিজবুল্লাহর কথিত ‘সন্ত্রাসী সদরদপ্তর’ লক্ষ্য করে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন—যার ফলে লেবাননের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে পুনরায় বলা হয়েছে, যদি গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধ না করা হয় এবং লেবাননের ভূখণ্ড থেকে বাহিনী প্রত্যাহার না করা হয়, তেহরান কোনো শান্তি আলোচনা কিংবা মধ্যস্থতা গ্রহণ করবে না।