এর আগে, ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র স্বাক্ষর করে বিচার শুরুর আদেশ দেন, যা তদন্তকারীর মাধ্যমে উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান জমা দেন। মামলাটি ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এ মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ১৯ মে সকালে সে বাড়ি থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমে ডেকে নিয়ে যায়। তখনই তার মা তাকে খুঁজতে যায় ও তার জুতার খোঁজ পান। এরপর বড় ঘটনা ঘটে, যখন তার শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মাথা-বিহীন দেহ ও মাথা রেকর্ড পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে আসামি সোহেল রানা গ্রেপ্তার হন। এ ঘটনায়, ২০ মে মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় অভিযোগ নথিভুক্ত করেন।
