প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো বিদেশে বহির্গমন করবেন, যা তার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দেশের পরিচালন দায়িত্ব গ্রহণের পরে তিনি প্রথম দফায় ভারত ও চীনের আমন্ত্রণ গ্রহণ না করেও মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ২১ ও ২২ জুন দুই দিনব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় সফর কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র বলছে, এই সফর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ন এবং তা ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য ও কৌশলগত বিবেচনায় পরিকল্পিত। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া সরকার গত সোমবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সফরের নিশ্চিত করে চিঠি পাঠিয়েছে, যার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক ভূরাজনীতি, ভারতের চীন প্রতিযোগিতা ও নানা কূটনৈতিক বিষয়। বিশেষ করে সরকার একটি তৃতীয় দেশকে এই সফরের গন্তব্য হিসেবে নির্বাচন করেছে, কারণ এটি দৃষ্টিকোণে গুরুত্বপূর্ণ। সফরে কি কি বিষয় আলোচ Warwick ছায়া থাকবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে অভিবাসন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব পাবে। গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর, প্রথম সফরে সৌদি আরবে গিয়ে ওমরাহ পালন কিংবা অন্যান্য দেশের দিকে মনোযোগ দেওয়ার বিষয়গুলো আলোচনায় ছিল। তবে দেশবিশেষের পরিস্থিতি ও বিভিন্ন কূটনীতিক দিক বিবেচনায়, প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মালয়েশিয়ায় যাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকররা বলছেন, এই সফর তরফ থেকে দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে নতুন দিশা ও আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে মালয়েশিয়াকে, কারণ ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আনোয়ার ইব্রাহিমের তৎপরতা ও সম্পর্কের গভীরতা এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছে। ঢাকায় ও কুয়ালালামপুরে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়ে, ঈদের আগে খানিকটা সময় দিয়ে আলোচনাসহ এই সফরটির প্রস্তুতি শুরু হয়। অন্যান্য বিষয় যেমন শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি অভিবাসনেও আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। এই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর একটি নতুন সরকারের জন্য পররাষ্ট্রনীতির এক ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ন দিক হিসেবে বিবেচিত, যেখানে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা, রাজনৈতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

