আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-पশ্চিম মৌসুমি বাতাস কক্সবাজার উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। পাশাপাশি, তাপমাত্রাও কিছুটা কমে যেতে পারে, যা গরমের তীব্রতা কিছুটা হ্রাস করবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
শনিবার (৬ জুন) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশ কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হলেও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের ঝুঁকি থাকা সামান্য। এ সময় তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার (৭ জুন) রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশ কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হবে। মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এই দিনেও দিনের ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
সোমবার (৮ জুন) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দুটি-একটি স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস রয়েছে। মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কিছুটা বাড়তে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশ কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহীর কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বর্ষণ হবে। ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের ঝুঁকি রয়েছে। এই দিনে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।
অবশ্য, আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে, অর্থাৎ বৃষ্টির পরিমাণ ও ভারী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও বন্যার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পেতে পারে।

