জামালপুরের সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন, মাদকপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কঠোর নজরদারি ও তৎপরতা চালাচ্ছে। সোমবার (৮ জুন) ভোর থেকে জেলার দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিশেষ এই নজরদারি শুরু হয়। একই সঙ্গে কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাজিবপুর সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতেও অভিযানের চাপ বাড়ানো হয়েছে। এই এলাকাগুলিতে স্থানীয় জনগণকেও সচেতন করতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে, যাতে কেউ সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অবাঞ্ছিত অপরিচিতকে দেখে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে খবর দেয়। বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নজরদারির মাত্রা বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনও অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। পাশাপাশি তারা সর্বদা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে থাকেন। জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের ব্যাটালিয়নের হাতে মোট ৭২ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলায় ২৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে কোনও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নেই, তবে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টার বিরুদ্ধে আমরা পুরোপুরি সতর্ক।’ এই সতর্কতা ও তৎপরতা সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় আরও কার্যকরভাবে চলমান থাকছে, যেন দেশের সীমান্ত নিরাপদ থাকে এবং অপরাধ চক্রের অপতৎপরতা ঠেকানো যায়।

