আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ইটভাটার অগ্রিম করের হার উল্লেখنীয়ভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এ ছাড়া, ইটভাটার লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের ক্ষেত্রে আরও কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে ইটের দামের উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। সরকারের এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, অগ্রিম করের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এখন ১ লাখ ৮ হাজার ইটের জন্য নির্ধারিত কর ৪৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে, দেড় লাখ ইটের জন্য কর ৭০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার, দুই লাখ ইটের জন্য ৯০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ এবং অতিক্রম করলে ৩ লাখ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে ইট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বোঝা আরও বৃদ্ধি পাবে, যা ব্যবসার রফতানি ও দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।

