ময়মনসিংহ নগরীতে আধাকঘটনাটি ঘটেছে রোববার সকালে। মেয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠা এক যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটে এখানে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে, দুপুরে যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত যুবকের নাম রাজিব আহমেদ রুবেল, বয়স ৪০, তিনি নগরীর আর কে মিশন রোড এলাকার একজন মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি ওই এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রাজিব আহমেদ রুবেল এক মাস আগে নগরীর একটি এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। তিনি সেখানে চার বন্ধু নিয়ে থাকতেন, যারা সবাই তার আপন ভাই। ঘটনার দিন, গত শুক্রবার, তার মা যখন ওই বাসায় গিয়ে দেখা করে, তখন রুবেল তাকে ধর্ষণ করে। অন্যদিকে, ওই চার ভাই তখন বাসায় ছিলেন না। পরবর্তীতে, ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে, ওই নারীকে ভর্তির জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে, রবিবার সকালে, চার ভাই ক্ষুব্ধ হয়ে, জেনেছেন তাদের মা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে, এবং এর প্রতিশোধ হিসেবে তারা যুবককে হত্যা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা যখন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বুঝতে পারেন, তারা দ্রুতটি ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, ‘শনিবার এক নারী ধর্ষণের অভিযোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন। যতদূর জানা গেছে, ওই নারীর চার ছেলে তাকে (রুবেল) গলা কেটে হত্যা করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রোববার দুপুরে, ময়মনসিংহ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ওই নারী ও তার দুই ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে।’
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘আমরা কিছু তথ্য পেয়েছি এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের কাজ শুরু করেছি। দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করছি, এবং শীঘ্রই বিস্তারিত জানানো হবে।’

