সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি চাকরি ও অন্যান্য সুবিধা গ্রহণকারী অমুক্তিযোদ্ধা ও ভুয়া সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান এই ঘোষণা করেন। তিনি বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম ও দ্বিতীয় বাজেট অধিবেশনের ২১তম দিনে, এনসিপি দলের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের ৭১ নম্বর বিধিতে দেওয়া জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সরকার অমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা জালিয়াতির মাধ্যমে কোটায় নিয়োগ, সরকারি সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারি করছে। ইতোমধ্যে এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেয়া শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধু কোটার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত নয়, পাশাপাশি অন্যভাবে সরকারি সুবিধা নেয়া ভুয়া সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধেও পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এতে অবাক করে দেয়ার মতো বিষয় হলো, এক পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৭৯ হাজারের বেশি অমুক্তিযোদ্ধার তালিকা চূড়ান্ত বা নির্ভুল নয়; আসল সংখ্যা হয়তো আরও বেশি হতে পারে। পাকিস্তান ও পাকিস্তানি অস্ত্রের সঙ্গে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন বিতর্কও উঠে এসেছে, এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেও এই বিষয় নিয়ে মামলা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার মুক্তিযুদ্ধের সরকার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই বিষয়গুলোতে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। সরকার সংশ্লিষ্ট সকল উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’

