ফরিদপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) একটি ঘটনায় erschজন ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে মামলা দায়ের করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ একমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার কারণে পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবসরের আদেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তের নাম মোঃ ওয়াহিদ শেখ, বয়স ৫৪ বছর। তিনি একটি বাজারের দর্জির দোকান পরিচালনা করেন, যা শিশু পরিবারের পাশেই অবস্থিত।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরী শৈশবে শহরের টেপাখোলা এলাকার একটি স্কুলে পড়াশোনা করে। শিশু পরিবারের সদস্য হিসেবে তার দৈনন্দিন যাতায়াতে তিনি একদmultiple একমাত্র অভিযুক্ত ওয়াহিদ শেখের কাছ থেকে চকলেট দেয়ার প্রলোভনে ধর্ষণের শিকার হন। এ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশের পর পুলিশ গত ৬ জুলাই তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয় যে, অভিযুক্ত ওয়াহিদ বেশ কয়েকবার ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এর ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। সন্তান ধারণের কারণে শারীরিক কিছু জটিলতার সম্মুখীন হওয়ায় তাকে ওই দিনই চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, মেয়েটি এখন ২৭ সপ্তাহ ২ দিনের গর্ভবতী।
শিশু পরিবারের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বশীলতা না দেখানোর অভিযোগে, গত ৮ জুলাই তাদের অবসরের দাখিল করা হয়। এর পাশাপাশি, মেয়েটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় নারী ও শিশু-কিশোরী হেফাজত কেন্দ্রের আশ্রয়ে রাখা হয়েছে।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ওসি মোঃ মাহমুদুল হাসান জানান, মামলার দায়েরের পরই পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। সমাজসেবা বিভাগের উপ-সচিব ও পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলাম আরও নিশ্চিত করেন যে, দায়িত্বে অবহেলার জন্য পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

