চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্রের বৈধতা নিশ্চিত করে আজ বুধবার আপিল বিভাগ এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন এই বিভাগ তার রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নেয় এবং বলেছে, তার এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে কোনো বাধা নেই। এর ফলে জনমত ও নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে মনোযোগ বাড়ছে।
বিএনপির এই প্রার্থীর প্রার্থিতা নিয়ে চলতি সময়ে বেশ বিতর্ক সৃষ্টি হয়। হাইকোর্টের রায়ে প্রথমে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে এর পরিপ্রেক্ষিতেই জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন আপিল করে, যাতে তার মনোনয়নপত্র স্থগিতের আবেদন ছিল। ৯ জুলাই হাইকোর্ট এই রায় দেয়, এবং সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করে।
অপেক্ষার পর, ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা দেয়, কারণ ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকলেও আদালত পরে তার মনোনয়ন পুনর্বহাল করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়। এরপর জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের হয়, যা ৩ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুর করা হয়। এই আদেশে বলা হয়, আপিল না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন ফলাফল স্থগিত থাকবে।
আজকের আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তে প্রভাবিত হয়ে সরোয়ার আলমগীরের নির্বাচন ও দায়িত্বে কোনো বাধা নেই বলে রায় এসেছে। এই সিদ্ধান্ত তার আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের পক্ষে জানানো হয়। অন্যদিকে, নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদি শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারি। এই রায় নতুন করে নির্বাচনী পরিস্থিতিকে উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পথে এখন।

