বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর। বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ নতুন করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এই তারিখ ধার্য করেন। এই নিয়ে মোট ৯৭ বার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে, যা খুবই আশ্চর্যজনক।
গতকাল রোববার প্রতিবেদনের জন্য দিন ধার্য থাকলেও, তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতের সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সোয়াইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরে এই অর্থ ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। সন্দেহ করা হয়, দেশের অভ্যন্তরে এক চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ এই অর্থ লেনদেন সম্পন্ন করেছে।
এই ঘটনার তদন্তে ধীরগতি দেখিয়ে, ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫), তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এর ৫৪ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় মামলা দায়ের করেন। তবে নয় বছর পার হলেও, রিজার্ভ পাচারকারী কোন চক্র বা ব্যক্তিত্ব এখনো চিহ্নিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক জরুরি প্রশ্নে রূপান্তর হয়েছে।

