নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত নতুন নির্বাচনী রোডম্যাপের খবর শুনে বিএনপি একরকম আত্মবিশ্বাসী ও খুশি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৃহস্পতিবার বিকালে গণমাধ্যমের সাথে সাক্ষাৎকারে এই সাড়ে জানান। তিনি বলেন, “আমরা রোডম্যাপ দেখে আশাবাদী হয়েছি যে, এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। মূলত, আমরা খুশি, আমরা অনেকটা আনন্দীত।” যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, এই রোডম্যাপ জনগণের জন্য কি ইতিবাচক সংবাদ, তখন মির্জা ফখরুল নিশ্চিত করে বলেন, “অবশ্যই।” জনমনে প্রত্যাশা জাগানো এই ঘোষণা সম্পর্কে দলের অন্য নেতারাও দারুণ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিকেলে বনানীতে এক অনুষ্ঠানে বলেন, “নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা পুরো জাতির জন্য একটি সুসংবাদ। এখন সবাই অপেক্ষা করছে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অবশেষে অনুষ্ঠিত হবে এবং এর মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকার গঠন হবে। এই সরকার বা সংসদ মানুষপ্রতিনিধিত্বমূলক হবে, যা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।” তিনি আরো বলেন, “নির্বাচনেরপর আমাদের অর্থনীতি অনেকাংশে আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরে পাবে, পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে গুড স্কিল ডেভেলপমেন্ট হবে।” অন্যদিকে, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এই ঘোষণা সম্পর্কে আরো আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণায় দেশের মানুষ সত্যিই আশা জাগিয়েছে। তারা মনে করেন, ইসি ও সরকারের একসঙ্গে পরিকল্পনা অনুযায়ী এই রোডম্যাপ সম্পন্ন হলে, অবশেষে একটি দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে এগোবে দেশ।” তিনি আরও বলেন, “সঠিক সময়ে এই রোডম্যাপ ঘোষণা হয়েছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখন আমাদের প্রত্যাশা, এই রোডম্যাপ অনুযায়ী নিরপেক্ষ ও সরকারের অধীন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”