বর্তমানে সৌদি আরবে ওমরাহ হজ পালন করছেন প্রিন্স মামুন, যার মূল নাম আব্দুল্লাহ আল মামুন। তবে তার দেশের মাটিতে খুবই দুঃখজনক খবর অপেক্ষা করছে। ঢাকায় লায়লা আখতার ফরহাদকে বাসায় ঢুকে মারধরের মামলায় হাজির না হওয়ায় আদালত তার জামিন বাতিল করেন এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এই আদেশ দেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ, বৃহস্পতিবার।
মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য সেখানে শুনানি চলছিল। সাময়িক ওমরাহ পালন করায় মামুন আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন করলে, বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ নিজে উপস্থিত হয়ে জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী সরকারের সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অন্য একটি ধর্ষণ মামলাও বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলার অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য মামুন তার বাসায় ঢুকে লাঞ্ছনা ও চুরির ঘটনা ঘটিয়েছেন এবং ছুরি দিয়ে আঘাতও করেন। তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে।
শুনানির পর আদালত মামুনের জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দেন। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৫ মার্চ।
প্রিন্স মামুনের সঙ্গে লায়লার পরিচয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। ঘটনার শুরু হয় গত ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার সময়, যখন মামুন ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের লায়লার বাসায় যান। সেখানে তিনি লায়লার আগের একটি মামলা ও জিডি তুলে নেওয়ার হুমকি দেন। লায়লা তা অস্বীকার করায় মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন। এরপর লাইভ বন্ধ করে মারধর শুরু করেন মামুন, এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। লায়লা তখন হাত দিয়ে রক্ষা করতে গেলে তিনি আহত হন। এরই মধ্যে ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন লায়লা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরির্দশক আতিকুর রহমান সৈকত আদালতে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।






















