তুফান, বরবাদ, তাণ্ডব—এমনকি আরও কিছু ব্যবসা সফল সিনেমার মাধ্যমে নিজেকে বাংলার চলচ্চিত্রের একজন আলাদা উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন শাকিব খান। তার এই ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখতে তিনি নতুন বছরেও fourটি বড় বাজেটের সিনেমা নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন।
অল্প কিছু দিন আগে শুটিং শুরু হয়েছে তার একজন অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘সোলজার’-এর। এই ছবি এখন মুক্তির অপেক্ষায় থাকা তালিকার শীর্ষে। সাকিব ফাহাদ পরিচালিত এই সিনেমা ডিসেম্বরের মধ্যে মুক্তির কথা ছিল, কিন্তু কিছু কারিগরির কারণে তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বিশেষ করে বাংলাদেশ অংশের শুটিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে শাকিবের ব্যস্ততা এই দুটি সিনেমা—’সোলজার’ এবং ‘প্রিন্স’-এর síos। ‘প্রিন্স’ সিনেমাটি আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালনা করছেন, যেখানে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করছেন তাসনিয়া ফারিণ। সিনেমার প্রি-প্রোডাকশন কাজ চলছে।
এবারের ঈদুল আজহায় দর্শকদের জন্য বড় সুখবর হলো—চলতি বছরের রাইহান রাফীর নির্মাণাধীন সিনেমাটি হতে যাচ্ছে শাকিবের বিশেষ এক মজাদার উপস্থিতি। গত বছর তাঁর ‘তুফান’ সিনেমা দিয়ে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিলেন রাফী। তিনি আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০২৬ সালেও শাকিব খানের সঙ্গে বড় পর্দায় ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তার। যদিও সিনেমার নাম এখনো প্রকাশ হয়নি, গুঞ্জন রয়েছে এই সিনেমাটি ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে পারে।
আরও একটি সিনেমার বিষয়টি এখনো রহস্যের চাদরে মোড়ানো। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে এই সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল, যেখানে একজন নাট্য পরিচালকের উদ্যোগে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। তবে এই প্রকল্পের মুখপাত্র বা নির্মাতা কেউই এখনো বিস্তারিত জানাচ্ছেন না।
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের সিনেমা হলগুলোর প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছেন শাকিব খান। তার সিনেমা মুক্তির পর হলে দর্শকদের উপস্থিতি বেড়ে যায়, যা ব্যবসার চাঙ্গা বৈশিষ্ট্য দেখায়। হল মালিকরাও এ নিয়ে আশাবাদী, তারা বিশ্বাস করেন যে শাকিবের সিনেমার মাধ্যমে হলের ব্যবসা আবারো প্রাণ ফিরে পাবে। এ কারণে প্রযোজকেরাও শাকিবের ওপর ভরসা রাখছেন, যাতে করে সিনেমার ব্যয় এবং মুনাফা নিশ্চিত হয়।






















