বাগেরহাটের চিতলমারীতে ডিলার ভিত্তিক নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দে ব্যাপক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। জানুয়ারী মাসে এক বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিক টন নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দ দেওয়া হলেও একই সময় বিএডিসি সার ডিলারকে শুধুমাত্র ২০ মেট্রিকটন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অসম সার বরাদ্দ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, যা কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এই বৈষম্য দূর করতে উপজেলা কৃষি বিভাগে বারবার আবেদন ও প্রতিবেদন দিয়েছেন চিতলমারীর একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার ফেরদাউস শেখ, তবে কোনো ফল পাননি।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে ফেরদাউস শেখ জানান, তিনি উপজেলার একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার হিসেবে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তাদের ব্যবসা চিতলমারী উপজেলা সদর বাজারে মেসার্স শেখ ব্রাদার্স নামে। তিনি বলেন, কৃষি, মাছ ও ফসল উৎপাদনের জন্য রাসায়নিক সারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু উপজেলা কৃষি অফিসের বরাদ্দের সময় পক্ষপাতিত্বের কারণে তিনি প্রয়োজনীয় সার সরবরাহে বাধা পাচ্ছেন। আশেপাশের জেলা ও উপজেলার মধ্যে বিএডিসি ও বিসিআইসি ডিলাদের মাঝে সমানভাবে সার বিতরণ হলে তার সমস্যা এতটা হতো না।
তবে একমাত্র বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিকটন দেওয়া হলেও নিজের বরাদ্দ মাত্র ২০ মেট্রিকটন। এভাবে মাসের পর মাস সার বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি। এতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করার পরেও কোন ফল পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সিফাত-আল-মারুফ বলেন, “এ উপজেলায় সাত জন বিসিআইসি ও এক জন বিএডিসি সার ডিলার রয়েছেন। বিএডিসি সার ডিলারকে বেশি বরাদ্দ দিলে কিছু বিসিআইসি সার ডিলার ক্ষিপ্ত হন। আমি অন্য জেলার বণ্টনের বিষয় সম্পর্কে বিশেষ করে জানি না।”

