সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে গিয়েছেন টিকটক তারকা আব্দুল্লাহ আল মামুন, পরিচিত প্রিন্স মামুন, কিন্তু দেশের মাটিতে তার জন্য অপেক্ষা করছে দুঃসংবাদ। ঢাকার আদালত তার বিরুদ্ধে একটি গুরুতর মামলার কারণে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই মামলার তদন্ত ও অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার, ঢাকায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন। ওই দিন মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানি নির্ধারিত ছিল। মামুন ওমরাহ করায় আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তবে তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম আবেদন করেন যে, সময় দেওয়া হোক। কিন্তু বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ সাক্ষ্য দিয়ে আদালতকে জানান যে, মামুন তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে বিচারাধীন অন্য একটি মামলাও আছে।
আদালত ওই অভিযোগের ভিত্তিতে জানিয়ে দেন যে, তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আদালত তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন এবং মামলার বিচার শুরু করার নির্দেশ দেন। আগামী ৫ মার্চ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।
অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, প্রিন্স মামুন ফেসবুকের মাধ্যমে লায়লার সাথে পরিচয় হয়। ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস-এর বাসায় যান এবং সেখানে লায়লার পূর্বের মামলার ও জিডির বিষয়টি তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। যখন লায়লা তা অস্বীকার করেন, তখন মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালি দেন। এরপর লাইভ বন্ধ করে তিনি মারধর শুরু করেন এবং ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। লায়লা আহত হন, তাকে হাত দিয়ে ঠেকানোর সময়। এই ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন লায়লা।
উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত তদন্ত শেষে অক্টোবর ৩০ তারিখে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। এই মামলার বিস্তারিত এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
