আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জোরদারের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকালে প্রথম ঘণ্টায় ৩৬টি আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি আপিল মঞ্জুর করা হয়েছে, ৫টি নাকচ হয়েছে, একটি আপিল বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পেন্ডিং রয়েছে এবং ২টি আপিলের বাদি অনুপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন ভবনে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের অডিটোরিয়ামে এই আপিল শুনানি শুরু হয়। প্রথম বিরতিটা দেওয়া হয় বেলা সাড়ে ১১টায়। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন আসনে মনোনয়ন বাতিলের কারণ ও আপিলের বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়।
বিশেষ করে রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আল-সাআদের মনোনয়ন বাতিলের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, তার জমা দেওয়া ভোটার তালিকা থেকে দৈবচয়নে ১০ জনের মধ্যে একজনকেও যাচাই করা যায়নি। একইভাবে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল আলী বেপারীর জন্য এই তথ্য প্রযোজ্য, যেখানে তিনি ১০ জনের মধ্যে ৮ জনের যাচাই করতে পারেননি। সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের মো. হুমায়ুন কবিরের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠে আসে, যেখানে তার মনোনয়ন বাতিলের কারণ হিসেবে কাজ করে ভোটার তালিকা থেকে অনিশ্চয়তা। তাছাড়া, ঋণখেলাপির দায়ে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে, কুমিল্লা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আব্দুল মতিনের মনোনয়ন বৈধতা প্রশ্নে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে, একই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার আপিল খারিজ করে দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশন জানায়, আব্দুল মতিনের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

