ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর একটি ইউনিয়নসহ) ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন পরিচালনা করতে গেলে, সেখানে অভিযান চালাতে গিয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান হেনস্তা ও হুমকির শিকার হন।
ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিলেন, তখন রুমিন ফারহানা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তিনি তাকে বলেন, আমি শেষ বারের মত আপনাকে সতর্ক করে দিচ্ছি, আমাকে আর এ ধরনের কথা শুনতে চাই না। যদি পারো, থামিয়ে দাও। আজ আমি ভদ্রতার সঙ্গে কথা বলছি, পরবর্তীতে এরকম করবেন না। এছাড়াও তিনি যোগ করেন, অন্যরা আপনাদের বেআইনিভাবে কাজ করতে দেয়, খোঁজ নিয়ে দেখো।
রুমিন ফারহানা আরও জোর দিয়ে বলেন, আমি রুমিন ফারহানা। আমি কোনো দলের পক্ষ নি। বললেন, যদি আমি না বলি, আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার, মাথায় রাখবেন। বললেন, যারা এখন আপনাদের সাথে কাজ করছে, তারা শেখ হাসিনার সময়ে কানে ধরে খাটের নিচে থাকত।
উল্লেখ্য, এই বিধি লঙ্ঘনের অভিযানে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান বলেন, তারা নির্বাচন আচরণবিধি ১৮ এর সরাসরি লঙ্ঘন করে সমাবেশের আয়োজন করে। বিষয়টি নিয়মের বাইরে থাকায় আমরা সেখানে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা দিই। তাদের চলে যাওয়ার সময়, অনুষ্ঠানের আয়োজক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রত্যাখ্যাত হয়ে সমাবেশের আয়োজন করতে না পেরে, ওই প্রার্থী আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমি এই বিষয়টি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করেছি।

