পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সম্পর্কিত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার অথবা আগামী সপ্তাহের সোমবার নেওয়া হবে—এই জানান দিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (টুইটার)-এ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কটের পর বিশ্ব ক্রিকেটের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দলের ঘোষণা করার পর থেকেই পাকিস্তানও বয়কটের ইঙ্গিত দেখিয়েছে বলে জানান মহসিন নাকভি, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তিনি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের কাছে ছেড়ে দিয়েছেন।
নাকভি আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় বিকেল приблизত ৫টায় প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এক টুইট পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীকে আইসিসি সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে জানিয়েছি। তিনি সব বিকল্প খোলা রেখে বিষয়টি সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে শুক্রবার অথবা আগামী সোমবার।”
এর আগে নাকভি প্রধানমন্ত্রীকে এই বিষয়ে ব্রিফ করেন — এ খবর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এক বিবৃতিতেও বলা হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, “আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।”
পটভূমিতে রয়েছে বাংলাদেশ মাঠে না নামার সিদ্ধান্ত। মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়ার পর নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলবে না বলে ঘোষণা দেয় এবং ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করে আইসিসির কাছে। তবে আইসিসি নিরাপত্তা ঝুঁকি খুঁজে না পাওয়ায় বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বলেছিল; না মানলে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার হুমকিও ছিল। বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে অটল থাকায় আইসিসি স্কটল্যান্ডকে বাংলাদেশ ওয়ার্জ করা ম্যাচগুলোতে সুযোগ দেয়।
এই পুরো সময়েই পাকিস্তান বাংলাদেশকে সমর্থন করে এসেছে। নাকভি জানিয়েছেন, পাকিস্তানও বয়কট নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে, কিন্তু সবকিছু সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। আজকের বৈঠকে সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছে এবং শুক্রবার বা আগামী সোমবার চূড়ান্ত ঘোষণা আসার আশা রাখা হচ্ছে।

