রংপুর-১ আসনে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে আজিমপুর উচ্চ আদালত তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে, ফলে তিনি এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন এই আপিল বেঙ্গে এই আদেশ দেন। শুনানিতে মঞ্জুম আলীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, মোহাম্মদ হোসেন লিপু, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ব্যারিস্টার শামিম হায়দার পাটোয়ারী। বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।
এ সময় বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ২১ জানুয়ারি হাইকোর্ট রংপুর-১ আসনের (গঙ্গাচড়া ও রসিকের ১-৯ নম্বর ওয়ার্ড) প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন। আপিল বিভাগ এই আদেশকে বহাল রেখেছে।
উল্লেখ্য, ১৭ জানুয়ারি এই আসনে মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছিল। এরপর নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন।
জানা যায়, নির্বাচনের আশেপাশে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযোগের মধ্যে, দ্বৈত নাগরিকত্বের উল্লেখ থাকা নিয়ে মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাইয়ে রংপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়ন বাতিল করেন। এরপর তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
শুনানির সময় প্রথমে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেলে, পরে আবার পুনর্বিবেচনার আবেদন করে মঞ্জুম আলী। ১৭ জানুয়ারি এই আবেদন বিবেচনায় এসে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
রংপুর-১ আসনে এই অভিযোগের পাশাপাশি অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন– বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন, জামায়াতে ইসলামীর রায়হান সিরাজী, ইসলামী আন্দোলনের এটিএম গোলাম মোস্তফা, এনসিপির আল মামুন, গণঅধিকার পরিষদের হানিফুর রহমান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের আহসানুল আরেফিন, ইসলামিক ফ্রন্টের মো. আনাস ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. মমিনুর রহমান।

