জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা বেনাপোল-পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি, এই সময়ের জন্য স্থলবন্দরের সব ধরনের আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমও চলবে না। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্নের জন্য। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন কঠোর নিরাপত্তাবিধির আওতায় নির্বাচন করতে যাচ্ছে, যার কারণে এই পথে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত বন্ধ রাখা হয়েছে। বেনাপোল চেকপোস্টের পুলিশের ইমিগ্রেশন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম শাখাওয়াত হোসেন জানান, সরকারের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে কোনও যাত্রী চলাচল করতে পারবেন না। তবে, শুক্রবার ভোর ৬টার পর থেকে আবারও এই পথে যাতায়াত স্বাভাবিক সময় অনুযায়ী চলবে। এর পাশাপাশি, বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে অসুস্থ যাত্রীদের জন্য আগে ইমিগ্রেশন খোলা থাকত, যা এবার বন্ধ থাকবে। পুরোপুরি বন্ধ থাকছে যাত্রী সাধারণের এই চলাচল। অন্যদিকে, বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতন বলেন, আন্তর্জাতিক নির্বাচনের কারণে বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও তিন দিন বন্ধ থাকবে বলে একটি নির্দেশনা এসেছে। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোনও প্রকার আমদানি বা রপ্তানি হবে না। তবে, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর শনিবার আবারও বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালু হবে। বেনাপোল সিএন্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে কারণ সব মালিক, শ্রমিক ও ট্রাক চালকরা নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। শনিবার সকাল থেকে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হবে। বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন বলেন, দেশে আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর কারণে এই তিনদিন বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। আগামী শনিবার থেকে আবারও আমদানি ও রপ্তানি চালু হবে। তাই, এই সময়ে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।