সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনভাবেই ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে না। এই সিদ্ধান্তের অপেক্ষা তিনি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় জানান, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগরা অংশ নেয়।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে সমাজের দুর্বল ও হতদরিদ্র মানুষগুলোকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। তবে, এটা যেন রাজনীতি বা কোনো পক্ষপাতিত্বের কারণে না হয়, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, ফ্যামিলি কার্ড সরবরাহের সময় কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা অসচ্চরিত্র ব্যক্তি যেন এর সুবিধা নিতে না পারে, সেজন্য সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। সম্প্রতি ঘোষণা দেন যে, এই কার্ড দেওয়া হলে চলমান ভাতা ও সুবিধাগুলো অব্যাহত থাকবে।
আবু জাফর মো. জাহিদ আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে এই কার্ড দেওয়া হবে। তবে, কতজনকে প্রথম ধাপে এবং কোন জেলায় এই সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্যেই সার্ভে চালানো হয়েছে এবং কিছু এলাকায় তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কৃষি, খাদ্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেন, তারা দ্রুত এই প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায় শুরু করতে চাইছেন। আসন্ন ঈদের আগে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কিছু এলাকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কতটুকু দ্রুত ও কতটুকু সংখ্যক মানুষকে এই সুবিধা দেওয়া সম্ভব, সে বিষয়ে আগামী দুই এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, প্রথমে হতদরিদ্র পরিবারের জন্য এই কার্ড প্রদান করা হবে। স্থানীয় পর্যায়ে কতজনকে কার্ড দেওয়া হবে, তা এখনও ঠিক করা হয়নি; তবে কিছু এলাকায় আগে থেকেই এই পরিকল্পনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমেই মহিলাদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে ক্যাশ টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো জাতির অন্যতম দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সঠিক ও সময়োচিত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।

