পানি সম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হয় হ্যাঁ-না ভোট, যেখানে দায়িত্বশীল সাধারণ ভোটাররা হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। ফলে গণভোটে হ্যাঁ জয়লাভ করেছে। এই প্রক্রিয়ায়, পার্লামেন্টে বিল আনার জন্য কোনও আলাদা শপথের প্রয়োজন হয় না। হ্যাঁ ভোটের ফলাফল অটোমেটিকভাবে কার্যকরী হবে – এটাই এখন নিয়ম ও প্রক্রিয়া বললেন তিনি।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, যেখানে না ভোট দেওয়া হয়েছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট বিল বা সিদ্ধান্তের উপর আলোচনা চলবে। এ ক্ষেত্রে, কোন সিদ্ধান্ত কিভাবে কার্যকর হবে, তা নির্ধারিত হবে আইন অনুযায়ী। যেখানে এমন কিছু নোট অব ডিসেন্ট জমা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বিষয়েও যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। এ সব কিছু জানতে, বুঝতে এবং স্বচ্ছভাবে বিষয়গুলো প্রকাশ করতে প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন এ্যানি।
অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, যারা বিভিন্ন অসংগঠিত ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছেন, সেসব থেকে সরে আসা উচিত। বিশৃঙ্খলা ও মব কালচার বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রার জন্য বড় সর্তকতা। সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে সরকারের সহযোগিতা করতে হবে। কেউ যদি এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও অগ্রহণযোগ্য পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, তার দায়দায়িত্ব তারই।
তিনি বলেন, সরকারের এগিয়ে নেওয়া পরিকল্পনা ও উন্নয়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। মতপার্থক্য থাকলেও, সকল বিভেদ ভুলে গিয়ে একসঙ্গে দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করা জরুরি। সব ধরনের বিরোধিতা ও বিভাজন এড়িয়ে, দেশের স্বার্থে সবাই একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. এমরান, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীরা।

