সুপার এইটে ম্যাচে ইংল্যান্ড পাকিস্তানকে হারাতে পারেনি। হ্যারি ব্রুকের অসাধারণ এক সেঞ্চুরির কারণে ইংল্যান্ড ২ উইকেটে জয়লাভ করে। সাহিবজাদা ফারহারহানের হাফসেঞ্চুরির পাশাপাশি শাহীন শাহ আফ্রিদির চার উইকেট এই ম্যাচে তাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ব্রুকের ৫১ বলে ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস তাকে দলের জয়ে অন্যতম কোটি করেন। এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড এক ম্যাচ আগেই সেমিফাইনালে পৌঁছেছে। বর্তমানে তাদের পয়েন্ট আর ৪, অন্যদিকে পাকিস্তান একমাত্র ম্যাচেই হারল।
ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল ১৬৫ রান, যা তারা প্রথম বলেই শুরুতেই কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে। প্রথম বলেই আফ্রিদির বলে সাহিবজাদা ফারহারহান ক্যাচ নিয়ে আউট হন। এর কিছুক্ষণ পর, অন্য ওপেনার জোশ বাটলারও আফ্রিদির বলের খোঁচা মেরে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। দলের স্কোর তখন ১৭ রান।
এরপর তিনে নামা হ্যারি ব্রুক ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন উইল জ্যাকস, যিনি ৫০ বলে ৬৩ রান করে সাহস জোগান। তবে জ্যাকসের পর, ব্রুকের ব্যাটে দারুণ অপ্রতিরোধ্যতা দেখা গেছে। ২৭ বলে হাফসেঞ্চুরি ও পরে ৫০ বলে ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচে উত্তেজনা তৈরি করেন। তার এমন ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের জেতার আশাটা প্রজ্জ্বলিত হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের জন্য এটা ছিল কঠিন এক দিন। ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি। সাহিবজাদা ফারহারহান ৪৫ বলে ৬৩ রান করে দলের শীর্ষ স্কোর করেন। বাবর আজম ২৪ বলে ২৫ রান করে ব্যর্থ হন। শুরুতেই উইকেট হারানোর পর, তারা জুটি গড়তে চেষ্টা করেন। তবে দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি কঠিন হয়। ইংল্যান্ডের ডাওসন ও আর্চার দুর্দান্ত বল করেন। পাকিস্তানের শার্ল দামাধর ও নতুন ব্যাটসম্যানরা চেষ্টা করলেও, লক্ষ্য পৌঁছানো যায়নি।
অবশেষে, পাকিস্তান ১৬৪ রানে অলআউট হয়। ইংল্যান্ডের প্রত্যাবর্তনে ডাওসন তিন উইকেট ও ওয়ারটন ও আর্চার দুইটি করে উইকেট নেন, যা পাকিস্তানের জন্য বিশাল অকলঙ্ক। এই ম্যাচে পাকিস্তানের ব্যাটিং ব্যর্থতা তাদের জন্য বড় ক্ষতি ডেকে আনে। ইংল্যান্ডের জন্য এটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ জয়, যারা টুর্নামেন্টের আরও এগিয়ে যাওয়ার পথে পা বাড়িয়েছে।

