সুনামগঞ্জের এক সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে বালতিতে ভরে থাকা যৌন সুরক্ষাসামগ্রী (কনডম) পাওয়ার ঘটনা সেখানকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবল অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর শিক্ষার্থীরাbě protest প্রদর্শন করলে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে হোস্টেল সুপার ও ইতিহাস বিভাগের প্রধানকে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিনভর চলা বিক্ষোভের পাশাপাশি প্রশাসন বিবৃতি দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়। এই ঘটনা ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করে সামগ্রিক পরিস্থিতি শান্ত করতে প্রশাসন দ্রুত বিকল্পসমূহ গ্রহণ করে।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এই বিষয়ে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে হোস্টেল সুপার ও ইতিহাস বিভাগের প্রধানকে ছাত্রী হোস্টেলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ও বিস্তারিত তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কলেজের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অভিযোগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভ করেন। তারা দাবি করেন, নানা অনিয়ম, দুর্নীতি এবং হোস্টেলে অশ্লীল কার্যকলাপের মত অভিযোগের পাশাপাশি সম্প্রতি বালতিতে ভরে থাকা কনডম পাওয়ার ঘটনাও আলোচনায় আসে। শিক্ষার্থীরা বলেন, এই পরিস্থিতি স্বার্থান্বেষী দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকতে পারে।
বিক্ষোভের সময় শিক্ষার্থীরা প্রধান সড়ক দিয়ে মিছিল করে আবার কলেজ প্রাঙ্গণে ফিরে এসে অবস্থান নেন। তারা অনিয়মের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের কড়া শাস্তি ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা সামলানো হয়, তবে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানানো হলেও তারা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেরি করেন বা কিছুই করেননি। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া অপরিহার্য, যাতে দোষী ব্যক্তিরা চিহ্নিত হয়ে যথাযথ শাস্তি পায়।

