অভিনয় জগতের পরিচিত মুখ, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে তিনি ল্যাবএইড হাসপাতালে জীবনবায়ু হারান।
মঞ্চ নাটক থেকে ক্য্যারিয়ার শুরু করে শামস সুমন ছোট ও বড় পর্দায় সমানভাবে নিজের ছাপ রেখে গেছেন। সাবলীল ব্যক্তিত্ব ও প্রকৃতভঙ্গিতে তার অভিনয় দর্শকের মনে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টেলিভিশন নাটকে তাকে কম দেখেন দর্শকরা; তিনি বেশি সময় কেটাতেন বেসরকারি এফএম স্টেশন ‘রেডিও ভূমি’-র স্টেশন চিফ হিসেবে তৎপরতায়।
অভিনয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তার অভিনীত কয়েকটি চলচ্চিত্র দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে তৌকীর আহমেদের ‘জয়যাত্রা’ (২০০৪), ‘বিদ্রোহী পদ্মা’ (২০০৬), ‘নমুনা’ (২০০৮), ‘হ্যালো অমিত’ (২০১২), ‘আয়না কাহিনী’ (২০১৩), ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ (২০১৪), ‘মন জানেনা মনের ঠিকানা’ (২০১৬), ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’ (২০১৬) এবং ‘চোখের দেখা’ (২০১৬)।
শামস সুমনের প্রয়াণে বিনোদন বলয়ের সহকর্মী, পরিচিতজন ও ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকাহত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও অনুগণরা তাকে কর্মমনস্ক ও আন্তরিক শিল্পী হিসেবে স্মরণ করছেন।
প্রয়াত অভিনেতার পরিবার-পরিজন ও নিকট আপনজনদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি।

