বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে পাঁচ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে অনাপত্তি পত্র (এনওসি) দিয়েছে। এনওসি পেয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা ও পারভেজ হোসেন ইমন। তারা পিএসএলে অংশ নিতে পারবেন ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।
লাহোর কালান্দার্স সরাসরি চুক্তির মধ্যে নিয়ে এনওসির আগে দল ঘোষণা করে বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। নিলামে দলে შესেছেন রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা ও পারভেজ ইমন। সর্বশেষ দু’দিন আগে প্রথমবারের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ডাক পেয়েছেন শরিফুলও। সূত্রে জানা গেছে, পারভেজ ইমনও মুস্তাফিজের সঙ্গে লাহোরের জার্সি গায়ে তুলবেন এবং রিশাদ খেলবেন রাওয়ালপিন্ডির জার্সিতে। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী নাহিদ রানাকে পেশোয়ার জালমির হয়ে নামতে দেখা যেতে পারে।
বিসিবির উচ্চপদস্থ একজন সূত্র ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন যে পাঁচজনকেই এনওসি মঞ্জুর হয়েছে। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ হয়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের কথা থাকায় তারা সীমিত সময়ের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছেন—১২ এপ্রিল পর্যন্ত। এই সময়সীমার মধ্যে পিএসএল খেলোয়াড়দের পাকিস্তান থেকে ফিরে এসে জাতীয় দলেই যোগ দিতে হবে।
বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমও এই বিষয়ে বলেছিলেন, জাতীয় দলে যে খেলোয়াড় দরকার সেটিকে আমরা অগ্রাধিকার দেবো; তবে যদি মনে হয় কোনো খেলোয়াড় পিএসএলে খেললে তার টি-টোয়েন্টি উন্নত হবে এবং আমাদের বিকল্প খেলোয়াড়ও আছে, তখন ছাড় দেওয়া হবে।
পিএসএল ২৬ মার্চ থেকে শুরু হবে। উদ্বোধনী ম্যাচে লাহোর কালান্দার্সের সঙ্গে হায়রাবাদ হিউস্টন খেলবে—অর্থাৎ টুর্নামেন্টের প্রথম দিনই মুস্তাফিজ ও পারভেজ ইমন মাঠে নামার সুযোগ পেতে পারেন। আর ২৮ মার্চের ম্যাচেই দেখা যেতে পারে রিশাদ, নাহিদ ও শরিফুলকে; তিনজনই একাদশে থাকলে রিশাদ-রাওয়ালপিন্ডির বিপক্ষে নাহিদ-শরিফুলের পেশোয়ার জালমি মাঠে থাকবে।
এইভাবে জাতীয় দলের সতীর্থরা পিএসএলে একে অন্যের বিপক্ষে লড়াইয়ে নামতে পারে, তবে সকলকেই জাতীয় দলকে সময়মতো যোগ দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে।

