খুলনার শিববাড়ি মোড়ে অবস্থিত জিয়া হলে দ্রুত নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর নেতৃবৃন্দ। রোববার একটি গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, ১৯৭৮ সালে ১২ জানুয়ারি খুলনার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সে সময়কার খুলনা পৌরসভার উদ্যোগে শিববাড়ি মোড়ে প্রায় দুই বিঘা জমির উপর জিয়া হলে নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তবে, তখনকার রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে শহীদ হন। এর ফলে, জিয়া হলেের নির্মাণ কাজ অনেক সময় বন্ধ থাকায় পরবর্তী সময়ে এক নতুন সরকারের আমলে ১৯৯১ সালে কেসিসি কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটি পুনরায় চালু করেন। ১৯৯২ সালে ২৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ হলের নাম জিয়া হলে রাখেন এবং খুলনাবাসীর জন্য এটি উন্মুক্ত করেন। তবে দীর্ঘ দিন ধরে নানা সংস্কার ও অন্যান্য কারণে ২০১২ সালে হলটি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তা দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকলে ২০২১ সালের শেষের দিকে নিচে ভেঙে ফেলা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চলতি বছর ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জিয়া হলের নির্মাণের জন্য কেসিসি একটি ৪১৮ কোটি টাকা ব্যয় করে নতুন পরিকল্পনা পাঠায়। এতে নয় তলা ভবন, পার্কিং, রাস্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত হলের নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে, যা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়েও প্রেরণ করা হয়। তবে, এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পে কোনও অগ্রগতি দেখা যায়নি।
অসন্তোষ প্রকাশ করে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, খুলনায় প্রায় ২০ লাখ মানুষের বসবাসের পরও মান সম্পন্ন আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর একটি হলে না থাকায় তারা দীর্ঘদিন ধরে তার জন্য দাবি জানিয়ে আসছেন। খুলনার শিববাড়ি মোড়ে জিয়া হলে কমপ্লেক্স নির্মাণে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে সংগঠনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়সহ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
প্রধান বক্তাগণ হলেন সংগঠনের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন, সহ সভাপতি সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, আঃ সালাম, মো. জামাল মোড়ল, মো. সিরাজ উদ্দিন সেন্টু, কাজী আমিনুল ইসলাম মিঠু, এসএম সাইফুদ্দোহা, মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিপু, তালুকদার মো. হেলালুজ্জামান, জিএম মহিউদ্দিন, মো. কামরুল ইসলাম কামু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান খোকন, যুগ্ম সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আলী, এম এ জলিল, মো. কামরুল ইসলাম ভুট্টো, কাওসারি জাহান মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাকিল আহমেদ রেজা, আ. রাজ্জাক, খন্দকার তৈয়েবুল ইসলাম, মো. সবুজুল ইসলাম, মো. খায়রুল আলম, লিটন মিত্র, মনিরুজ্জামান মিলন, মামুন অর রশিদ, সৈয়দ বদিউজ্জামান বদু, খায়রুজ্জামান শিপন, রেজওয়ান হোসেনসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ।
