ঢাকাঃ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২৬
Jago Bangla 24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
No Result
View All Result
Jago Bangla 24
No Result
View All Result

প্রতিনিধি সরিয়ে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে পাঁচটি স্থানীয় সরকার বিল পাস

by স্টাফ রিপোর্টার
এপ্রিল ৯, ২০২৬
in জাতীয়
Share on FacebookShare on Twitter

জাতীয় সংসদে ‘‘বিশেষ পরিস্থিতি বা জনস্বার্থে’’ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি সংশোধনী বিল কণ্ঠভোটে পাস করা হয়েছে। বিরোধীরা সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুললেও সরকার বলছে, স্থানীয় সেবা বজায় রাখা এবং দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করতে এই ব্যবস্থা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার উত্থাপিত ও পাসকৃত বিলগুলো হচ্ছে — স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬; উপজেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬; জেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬; স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল, ২০২৬; এবং স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন সংশোধন বিল, ২০২৬। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনুপস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সংসদে বিলগুলো তোলেন।

সরকারি যুক্তি ও ঐতিহ্যগত ব্যাখ্যা

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে অনেক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন, পলাতক ছিলেন বা আত্মগোপনে ছিলেন; এর ফলে স্থানীয় সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। সেই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ তৈরি করেছিল; এখন তা আইনে রূপ দেওয়া হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে সংশোধনীগুলো স্থায়ী প্রশাসক বসিয়ে রাখার জন্য নয়, বরং নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা রাখার উদ্দেশ্যেই আনা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার বিধানও বাতিল করা হচ্ছে, যা বিরোধীদের আপত্তি ছিল না বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

বাঁচিয়ে রাখা বনাম সংবিধানগত প্রশ্ন

জেলায় (জেলা পরিষদ) সংশোধনী বিল নিয়ে সবচেয়ে তীক্ষ্ণ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। যশোরের সাংসদ গাজী এনামুল হক বলছেন, বিলটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১, ৫৯ ও ৯৩-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক; সংবিধান অনুযায়ী প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। তিনি অতীতের আদালতের রায়ও টেনে এনে বলেন, স্থানীয় সরকার ভেঙে সরকারি কর্মকর্তা বসানোর বিষয়ে অতীতে আদালত আপত্তি জানিয়েছে।

পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উপজেলা নিয়ে বিরোধীদের আশঙ্কা

পৌরসভা বিল উত্থাপনের সময় পাবনা-১ আসনের এমপি নাজিবুর রহমান বলেছিলেন, স্থানীয় সরকার পরিচালিত হওয়ার কথা নির্বাচিতদের মাধ্যমে; অনির্বাচিত প্রশাসক বসানো গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি ‘‘বিশেষ পরিস্থিতি’’ শব্দটির কোনো স্পষ্ট মানদণ্ড না থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আশঙ্কা দেখান যে ভবিষ্যতে এটি রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার হতে পারে।

সিটি করপোরেশন বিলের সময় এনসিপি নেতা হান্নান মাসউদ বলেন, এই বিধান নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সরিয়ে ‘‘দলীয়ভাবে পছন্দের লোক’’ বসানোর পথ খুলে দেবে এবং এভাবে আইন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে কালো দাগ হয়ে থাকবে। মীর শাহে আলম জবাবে জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশন আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে মেয়র ও কাউন্সিলরদের অনুপস্থিতিতে প্রশাসক নিয়োগের বিধান আরও স্পষ্ট করা হয়েছে; পাশাপাশি সিটি করপোরেশন এলাকায় কিছু প্রশাসনিক ক্ষমতাও যুক্ত করা হচ্ছে।

উপজেলা সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলছেন, একই ধরনের আইন বারবার আনা হলে তা ভবিষ্যতে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে; তিনি দাবি করেন, আইন করলে নির্দিষ্ট দোষ প্রমাণিত হলে তবেই অপসারণের বন্দোবস্ত রাখা উচিত। প্রতিমন্ত্রী আলাদা করে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন আইন পাস হলে দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পূরণ করা হবে এবং সরকারের উদ্দেশ্য স্থানীয় সরকারে স্থায়ীভাবে প্রশাসক বসিয়ে রাখা নয়।

ইউনিয়ন পরিষদ বিলটি তুলনামূলকভাবে কম বিতর্কে পাস হয়। বাকি চার বিল উপস্থাপনার সময় তীব্র তর্ক-বিতর্ক ও আপত্তি থাকলেও সবই কণ্ঠভোটে পাস করে। জেলা পরিষদ ও পৌরসভা বিল পার হওয়ার পর বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন।

এক দিনে ৩১টি বিল

দিনটি ছিল আইনপাশ করার দিক থেকে ব্যস্ত—সাংসদে একই অধিবেশনে মোট ৩১টি বিল পাস করা হয়, যার মধ্যে স্থানীয় সরকারের ওপরের পাঁচটি সংশোধনী ছাড়াও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট, বাংলাদেশ গ্যাস সংশোধন, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা বিলসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিল রয়েছে।

নিষ্কর্ষ

সরকার বলছে, অন্তর্বর্তী সময়ের দেওয়া সুবিধাগুলোকে আইনে রূপ দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের ধারাবাহিকতা ও সেবা সচল রাখা হচ্ছে এবং তা নির্বাচনের মাধ্যমে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। কিন্তু বিরোধীরাও বলছেন, ‘‘বিশেষ পরিস্থিতি’’–এর অনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ও প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের হাতে রেখে দেয়া হলে তা ভবিষ্যতে দমন বা রাজনৈতিক ব্যবহারের বিপদ ডেকে আনতে পারে। ঐতিহ্যগতভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভূমিকা ও সংবিধান সম্মত ব্যবস্থা রক্ষা করাই তর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে।

Jago Bangla 24

Jago Bangla 24 is a leading Bangladeshi Online News Portal, covering various topics and analysis from a complete neutral perspective.

নেপথ্যে যারা

সম্পাদকঃ শেখ শহীদ আলী সেরনিয়াবাত
সহ সম্পাদকঃ বাতেন আহমেদ
প্রকাশকঃ আহমেদ রুবেল

যোগাযোগ

সম্পাদনা বিভাগঃ [email protected]
সংবাদ বিভাগঃ  [email protected]
বিপণন বিভাগঃ [email protected]

© 2008 - 2006 Jago Bangla 24. - All rights reserved by Jago Bangla 24..

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন

© 2008 - 2006 Jago Bangla 24. - All rights reserved by Jago Bangla 24..