দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা সার্ককে আবার সক্রিয় করে তোলা দেশের বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) তুরস্কের আন্তালিয়া শহরে অনুষ্ঠিত আন্তালিয়া কূটনৈতিক ফোরামের একটি মন্ত্রীস্তরের প্যানেলে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্যানেলে অংশ নেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং আফগানিস্তানের পরিবহণমন্ত্রী আজিজি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে উচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করতে দেশগুলোর মধ্যে স্থিতিশীল যোগাযোগ ও বিশ্বাসপূর্ণ সংলাপ অপরিহার্য।
প্যানেল আলোচনায় সার্ক প্রতিষ্ঠায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানও সম্মানজনকভাবে স্মরণ করা হয়। বক্তারা বলেন, সার্ক গঠনের ইতিহাস ও লক্ষ্য এখনও দক্ষিণ এশিয়ার জন্য প্রাসঙ্গিক, এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্য রক্ষিত রেখে আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠাটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক ও মানবিক সহযোগিতার বিশাল সম্ভাবনা আছে; তবে সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে অতিথিসহ সকল দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাধা দূর করে তাত্ক্ষণিকভাবে সংলাপ ও কূটনীতিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে।
সারাংশে, আন্তালিয়া ফোরামে বাংলাদেশসহ অঞ্চলের প্রতিনিধিরা সার্ককে একটি কার্যকর ও ফলপ্রসূ প্ল্যাটফর্মে পরিণত করার জন্য নতুন করে দৃঢ় সংকল্প ঘোষণা করেছেন—যার মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বাড়ানো সম্ভব বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

