প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের শপথ গ্রহণের দুই মাস গতকাল পূর্ণ হয়েছে। শনিবার (১৮ মার্চ) বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের প্রথম দুই মাসে গ্রহণ করা ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরেন এবং সামগ্রিক অর্জন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনা করেন।
মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘ নির্বাসন ও বিরোধী শাসনের কঠিন অধ্যায় অতিক্রম করে দেশের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে তিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে জানান, তখন থেকেই বহুজাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব, ভিশন ও নীতি নিয়ে ব্যাপক ভূমিকাগ্রহণ হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচনে প্রাপ্ত সফলতা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের অভিনন্দন পেয়েছে এবং নতুন সরকারের প্রতি কাজের আগ্রহ জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হিসেবে নিজ এবং প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে উল্লেখ করে উপস্থিত সাংবাদিক, প্রেস উইং সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সাংবাদিকদের কাছে আগামি দিনগুলোতে গঠনমূলক সমালোচনা ও তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন করার আহ্বান জানান এবং সরকারের কার্যক্রম জনগণের কাছে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, দুটি মাসে সরকারের পদক্ষেপগুলো দেশের মনোবল বাড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মানচিত্রে বাংলাদেশের পজিশন শক্তিশালী করেছে। এক বিরল খুশির বিষয় হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন—টাইম ম্যাগাজিনের ‘বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তি’ তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম স্থান পেয়েছে—যা নেতৃত্বের দূরদর্শিতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
মাহদী আমিন সরকারের দুই মাসে নেওয়া ৬০টি প্রধান পদক্ষেপ নিম্নরূপ উপস্থাপন করেন:
1. পরিবারভিত্তিক নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড পাইলট সমাপ্ত — ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে কার্ড দেওয়া হয়েছে; প্রতি পরিবারের নারী সদস্যকে মাসে ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা।
2. কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু — প্রাথমিকভাবে ১০ জেলায় ২২ হাজারের বেশি প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষককে দেওয়া হয়েছে; মৎস্য ও পশুপালনকারীরাও সুবিধাভোগী।
3. প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ঋণ (১০ হাজার টাকার পর্যন্ত) সুদসহ মওকুফ।
4. ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ প্রক্রিয়াকরণ; ১৬টি অধ্যাদেশ আরও যাচাই-বাছাই করে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে—সংবিধান ও আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষায় উদ্যোগ।
5. দেশের ৫৪ জেলায় শুরু করে মোট ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখনন প্রকল্প গ্রহণ।
6. বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের পরেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি; ভর্তুকি, বিকল্প উৎস ও কূটনীতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
7. জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও নেট-মিটারিং চালু করে গ্রিডে ৩৫ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ যুক্ত হয়েছে; ২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য শক্তি লক্ষ্য নির্ধারণ।
8. জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ফুয়েল কার্ড পাইলট প্রকল্প চালু।
9. পবিত্র রমজানসহ চলমান পরিস্থিতিতে জরুরি ভর্তুকি ও আমদানি বজায় রাখার মাধ্যমে নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
10. ধর্মীয় উপাসনালয়ের ইমাম-মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, বৌদ্ধবিহার অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক-পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী প্রদানের উদ্যোগ; ধর্মীয় ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ।
11. ঈদে অসহায়দের ত্রাণ ও উপহার বিতরণ এবং জাকাত ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করে দারিদ্র্য বিমোচনের উদ্যোগ।
12. প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ।
13. হজযাত্রার খরচ কমানো—টিকিট প্রতি ১২ হাজার টাকা সাশ্রয়; দেশে ‘নুসুক হজ কার্ড’ চালু।
14. সরকারি/মন্ত্রণালয় শূন্যপদ নিরূপণ: মোট ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্যপদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা।
15. বন্ধ থাকা সরকারি কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিশেষত চিনিকল, রেশম ও পাটশিল্পে গুরুত্ব।
16. ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, হাইটেক পার্ক ও ক্লাস্টারে স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইকো সিস্টেম গঠন।
17. ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন-ডলার অর্থনীতি গঠনের লক্ষ্যে খাতভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন।
18. অর্থনীতিকে পুনর্গঠন ও বিনিয়োগভিত্তিক প্রবৃদ্ধির জন্য পাঁচ বছরের কৌশলগত কাঠামো প্রণয়ন; ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮%।
19. বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ: ১০০ কোটি টাকার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের শর্ত শিথিল।
20. ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধাদি পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে—শ্রমিকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উদ্যোগ।
21. মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবার খুলছে—দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে অভিবাসন ব্যয় হ্রাস ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার প্রতিশ্রুতি।
22. ইউরোপের ৭ দেশসহ (সার্বিয়া, গ্রিস, উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল ও রাশিয়া) শ্রমবাজার নিয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির উদ্যোগ।
23. বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দক্ষ ও অর্ধ-দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির উপর জোর; দেশে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার সম্প্রসারণ।
24. উত্তরবঙ্গে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রি হাব গড়ার উদ্যোগ।
25. পেপাল ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
26. প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার জন্য ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা; নিয়োগে ৮০% নারীকে অগ্রাধিকার।
27. ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু করে সাশ্রয়ী ও গুণগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের পরিকল্পনা; হাসপাতালগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন।
28. পুনঃভর্তি ফি বাতিল ও বিজ্ঞতাভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি গ্রহণ; শিক্ষাবৃত্তি দ্বিগুণকরণ এবং শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি।
29. বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদান।
30. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক এবং অন্যান্য শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত।
31. স্কুল মাঠ উন্মুক্তকরণ ও উপজেলায় ক্রীড়া শিক্ষকের নিয়োগ; মহানগরে উন্মুক্ত খেলার মাঠ সৃষ্টি; চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক।
32. শিশু-তরুণ প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’ পুনরায় শুরু; ক্রীড়া ও কুরআন তেলাওয়াত সংযুক্তি; শিক্ষার্থীদের জন্য সংসদ গ্যালারিতে ১৫০ আসন বরাদ্দ।
33. প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের ব্যাগ বিতরণ; ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ পাইলট।
34. মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ: স্মার্ট ক্লাসরুম, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্তি।
35. স্পোর্টস কার্ড ও অ্যালাউন্স কার্যক্রম—শতাধিক ক্রীড়াবিদকে ভাতা প্রদান।
36. পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ চারা উৎপাদন; শহরে খালপার্শ্বে নেটিং ব্যবস্থা ও হাঁটা পথ নির্মাণ।
37. রাষ্ট্রীয় ব্যয় হ্রাসে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে সরকারি ভবন/গাড়ি ব্যবহার না করে নিজ বাড়ি ও গাড়ি ব্যবহার করছেন—অর্থব্যয় সাশ্রয়ে নজিরবিহীন পদক্ষেপ।
38. অফিস সময় কঠোরকরণ—সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক; ভিভিআইপি প্রটোকল সীমিত করা হয়েছে; রাষ্ট্রীয় সফরে বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমাবদ্ধ।
39. নামজারি ও সেবাগ্রহীতার অনলাইন আবেদন বাধ্যতামূলক করে দালাল-হস্তক্ষেপ রোধ; অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা ও ডিজিটাল সার্ভ পাইলটিং; ২৪/৭ হটলাইন চালু।
40. পদ্মা অববাহিকার কৃষি অঞ্চল রক্ষার্থে ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ গ্রহণ।
41. এমপি-মন্ত্রীরা শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত—রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানো লক্ষ্য।
42. পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নির্দেশনা জারি।
43. ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও স্থানীয় অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম চালু।
44. দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা হাম টিকা কর্মসূচি পুনরায় চালু ও দ্রুত সম্প্রসারণ।
45. চাঁদাবাজি দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা—গোপন তথ্য অনুযায়ী গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে; জনবান্ধব পুলিশের উদ্যোগ।
46. ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস ও নারীদের জন্য বিশেষায়িত পিংক বাস সেবা চালুর উদ্যোগ।
47. জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত — নদী দখল ও দূষণকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচনা, সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড/১৫ লাখ টাকা জরিমানা প্রস্তাব।
48. বিদ্যুত ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিত করা হয়েছে; সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ১১টি নির্দেশনা জারি।
49. শিক্ষাব্যবস্থায় প্রথমবারের মতো এনটিআরসির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক, কলেজ অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ—মেধাভিত্তিক পরীক্ষার উদ্যোগ।
50. ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির সক্ষমতা বাড়াতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপন পরিকল্পনা—২০২৯ সালে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম; আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে।
51. ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন ও বিকল্প স্থানে ব্যবসা পরিচালনার উদ্যোগ।
52. সরকার একটি উদার ও গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনের লক্ষ্য ঘোষণা করেছে; সকল মত ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা নিশ্চিত রাখা হবে বলে মত প্রকাশ করা হয়েছে।
53. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ।
54. ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা প্রদানের নির্দেশনা; সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ইন্টারনেট উদ্বোধন।
55. চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের জন্য ফ্রি ইন্টারনেট সেবা চালুর উদ্যোগ; ১৮০ দিনের মধ্যে ২,৩৩৬টি কারিগরি ও ৮,২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই স্থাপনের পরিকল্পনা।
56. অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রবাসীদের কল্যাণ, দূতাবাস ও মিশনগুলোকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জনশক্তি রপ্তানিতে ভূমিকা বাড়ানোর নির্দেশনা।
57. পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতায় সকল দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা ও বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অর্থে দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেওয়া।
58. বিদেশে পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশের সঙ্গে সম্পদ শনাক্তকরণ ও আইনি সহায়তা জোরদার।
59. উপকূলীয় নদীভাঙন রোধ ও জলবায়ু প্রতিক্রিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা।
60. মানবাধিকার রক্ষা—মাহদী আমিন বলেন, গত দুই মাসে সরকারের মানবাধিকার সংরক্ষণে গৃহীত পদক্ষেপ জনগণের প্রত্যাশা মেটেছে; তিনি একইসঙ্গে রাজনৈতিক অশান্তি ও মিথ্যাচার সম্পর্কে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও মুখপাত্র সালেহ শিবলী, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিবরা এবং প্রেস উইংয়ের অন্যান্য সদস্যরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
মাহদী আমিন সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে সাংবাদিকদের ধৈর্য ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং আগামি দিনগুলোতে জনগণের কল্যাণে আরও কাজ করতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও জানান।
