নগরীর হেরাজ মার্কেটের মসজিদে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে দু’টি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কিছুজন আহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে গত শনিবার সন্ধ্যায়, যখন মসজিদের অভ্যন্তরে এই অশান্তি শুরু হয়। মার্কেট কমিটির নেতারা জানিয়েছেন, শুক্রবার তারা জানতে পারেন যে ইমাম পরিষদ একটি মিটিং করতে চান মসজিদে। এ খবর শুনে তারা সঙ্গে সঙ্গে খুলনা থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। পুলিশও মিটিংটি বন্ধ করে দেন, এবং মার্কেট কমিটির নেতারা সেটিকে মেনে নেন। তবে শনিবার আসরের নামাজের সময় কিছু লোক মসজিদে প্রবেশ করে এবং নামাজ শেষে বিষয়টি উত্থাপনের চেষ্টা করেন। এসময় হেরাজ মার্কেট ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকিব পিন্টু প্রশ্ন তুলে বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম কেন চলছে, যখন প্রশাসন থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। এর উত্তরে কিছু বহিরাগত তার উপর হামলা চালায় এবং তিনি আহত হন। ঘটনার পর বিভিন্ন ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মোহাম্মাদ তাজুল ইসলাম, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ), জানান, ইমামের বিরুদ্ধে গত পাঁচ মাস আগে একটি ধর্ষণ মামলার নির্দেশনা ছিল এবং এই মামলার তদন্তে সরকারের পক্ষ থেকেও অগ্রগতি হয়নি। এ পরিস্থিতির মধ্যে, মার্কেট কমিটির নেতৃবৃন্দ মসজিদে নতুন ইমাম নিয়োগের জন্য প্রক্রিয়া চালু করে এবং বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনায় জড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে, পরিচিতি নারীর কেলেঙ্কারির ভিডিও প্রকাশের ঘটনাও ঘটে, যা ইমামকে বিতর্কে ফেলেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ইমাম পরিকল্পনা করে মসজিদে নামাজ পড়াচ্ছেন এবং মিটিংয়ের বিষয় গোপন রেখেছেন। এর ফলে পরিস্থিতির নাটকীয়তা বৃদ্ধি পায়। সন্ধ্যার দিকে দেখা যায়, কিছু লোক মসজিদ ভরে ইমামকে বসানোর জন্য মিটিং করে এবং নিষেধের পর তাদের উপর হামলা চালানো হয়। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে, তবে এ ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন একে অন্যের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করতে সক্ষম হয়েছেন।
