ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সব মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে ঢাকায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান।
বিএনপি সমর্থিত মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনী, নিপুন রায় চৌধুরী, জীবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, মোছা. সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার ঠাকুর, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মোছা. সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, মোছা. সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মার্মা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
অন্যদিকে, বুধবার (২২ এপ্রিল) জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়ন নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
জামায়াত জোটের প্রার্থীর নির্বাচনপত্রের শুনানিতে জানা গেছে, মনিরা শারমিন আগে সরকারি চাকরি করতেন এবং বেতনভুক্ত ছিলেন। তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পরে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতি নেয়ার পর তিন বছর পেরিয়ে গেলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বয়স হয়, কিন্তু এই সময়সীমা পূরণ না হওয়ায় তার প্রার্থীতা বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নির্বাচন কমিশন এ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন।
ফিরিয়ে আনা নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৬ এপ্রিল আপিল করা যাবে। এই আপিলের নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ধরা হয়েছে ২৯ এপ্রিল, আর প্রতীক বরাদ্দ হবে ৩০ এপ্রিল। নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১২ মে।

