পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে ঝলক দেখিয়ে সেঞ্চুরি ও শক্ত ভঙ্গিতে খেলার পর নাজমুল হোসেন শান্ত দলের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে তুলে এসেছেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেওয়া বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়কটি আইসিসির টেস্ট ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ক্যারিয়ারসেরা অবস্থানে উঠে এসেছেন।
শান্ত প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ১০১ রানের সেঞ্চুরি করেছেন — এটি তার বাংলাদেশের হয়ে নবম টেস্ট সেঞ্চুরি। পরে ব্যাট করে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রান করে ফিরেন; নোমান আলির বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে তাকে ফেরত পাঠাতে হয়েছিল। দুই ইনিংস মিলিয়ে শান্ত করলেন ১৮৮ রান, যা তাকে ঢাকা টেস্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার এনে দিয়েছে। এ পারফরম্যান্সের ফলে তিনি আইসিসির টেস্ট ব্যাটারদের তালিকায় ১৬ ধাপ উতরে এসে ২৩ নম্বরে অবস্থান নিয়েছেন এবং তার রেটিং পয়েন্ট ৬৪৯। বাংলাদেশের মধ্যে এখন শীর্ষে আছেন শান্ত; সামনের সারিতে পাকিস্তানের তারকা বাবর আজম রয়েছেন।
অন্যান্য ব্যাটারদের মধ্যে মুশফিকুর রহিমও দুই ইনিংসে ভালো করায় র্যাঙ্কিং বাড়িয়েছে — প্রথম ইনিংসে ৭১ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২২ করে তিনি দুই ধাপ এগিয়ে ২৬ নম্বরে উঠেছেন। মুমিনুল হকও দুই ইনিংসে সংযোজিতভাবে শক্তিশালী ব্যাটিং করেছেন; প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির এক ধাপ পিছিয়ে ৯১ রান খেলে ফেরতে হয়, পরে দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৫৬। মোট মিলিয়ে মুমিনুল ১২ ধাপ উন্নতি করে ৩৫ নম্বরে উঠে এসেছেন; তার র্যাঙ্কিংয়ের পাশে ইংল্যান্ডের ব্যাটার ওলি পোপের নাম দেখা যাচ্ছে।
সাদমান ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও মাহমুদুল হাসান জয় প্রত্যেকে ব্যাট হাতে তেমন ঝলক দেখাতে না পেরে র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে গেছেন — সাদমান চার ধাপ, মিরাজ এক ধাপ ও মাহমুদুল জয় ছয় ধাপ নেমেছেন।
বোলিং বিভাগেও বাংলাদেশের Several পারফরম্যান্স নজর কাড়ছে। সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসে মোট চার উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম; এই পারফরম্যান্সে তিনি তিন ধাপ এগিয়ে ১৩ নম্বরে আছেন এবং তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৭০৪। দ্বিতীয় ইনিংসে আগুনঝরা বোলিং করে পাঁচ উইকেট নেয়া নাহিদ রানা তার বোনাস; এই কারণে নাহিদ পাঁচ ধাপ উন্নতি করে ৬৩ নম্বরে উঠে এসেছেন। মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ তাঁদের আগের অবস্থানেই রয়ে গেছেন, তবে হাসান মুরাদ ও নাঈম হাসান কিছুটা পিছিয়ে গেছেন।
সামগ্রিকভাবে ঢাকা টেস্টে ব্যাটিং ও বোলিং মিলিয়ে বাংলাদেশের শক্তিশালী লড়াই দলকে জয় এনে দিয়েছে এবং একাধিক খেলোয়াড়ের র্যাঙ্কিংয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

